Stamp সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 0.8 in, Height= 1 in
Passport সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 1.6 in, Height= 2 in
3R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 3.5 in, Height= 5 in
4R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 6 in, Height= 4 in
5R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 7 in, Height= 5 in
6R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 9 in, Height= 6 in
8R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 10 in, Height= 8 in
8L সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 12 in, Height= 8 in
10R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 12 in, Height= 10 in
10L সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 15 in, Height= 10 in
12R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 16 in, Height= 12 in
12L সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 18 in, Height= 12 in
16R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 20 in, Height= 16 in
20R সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 24 in, Height= 20 in
20L সাইজ ছবি এর মাপ= Width= 30 in, Height= 20 in
উপরের সব ছবিতেই Resolution 300 হবে
উপেরর এই সাইজগুলা ফটো প্রিন্টিং এর জন্য ব্যাবহার করা হয়ে থাকে । আরো অনেক ধরেনর সাইজ রয়েছে। আমরা এই সাইজগুলো সহযেই ফটোশপের সাহায্যে পেয়ে থাকি। তবে উপেরর সাইজ গুলা ফটোশপে নাম অনুসারে দেওয়া নেই তাই আমি এই সাইজ গুলার সাথে আপনাদের পরিচয় করালাম। এখানে in অর্থাৎ ইন্চি inches বোঝানো হয়েছে ।
অথবা এখান থেকে পিকচার সাইজ এর বিস্তারিত PDF ফাইলটি ডাউনলোড করে সংগ্রহ করে রাখুন, যে কোন সময় ফটোসপের কাজের জন্য আপনার প্রয়োজন লাগতে পারে। ধন্যবাদ
একটি ভালো ভিজিটিং কার্ড শুধু আপনার তথ্যই অন্যদের কাছে তুলেই ধরে না, বরং পার্সোনাল লেভেল কারো সাথে পরিচিতিরও সুযোগ সৃষ্টি করে। এই জন্য, সকল ডিজিটাল নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমের মাঝেও, ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব অনন্য, কারণ এর মত হিউমেন ফ্যাক্টর ইউটিলাইজ করার সুযোগ জন্য কোন ডিজিটাল মাধ্যমে নেই।
একটি ভালো ভিজিটিং কার্ড আপনার ব্র্যান্ডের এক্সটেনশন হিসেবে কাজ করে, এটি একটি পাওয়ারফুল টুল যা আপনাকে অন্যদের কাছে মেমরেবল করে তুলতে সাহায্য করে।
তো, একটি ভিজিটিং কার্ডে কি কি তথ্য থাকা উচিৎ?
অনেক কার্ড মানুষ একবার দেখে বাড়ি ফেরার আগেই ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেয়। এখানে ৭ টি ভিজিটিং কার্ড টিপস দেয়া হল যা আপনার কার্ডকে শুধু মাত্র একটি ফেলনা কাগজের টুকরো থাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ হতে দেবে না। বরং, একটি শক্তিশালী যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠতে সাহায্য করবে, যা পরবর্তীতে আপনার ব্যবসায় একটি চুম্বকের ন্যায় কানেকশন গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
১। লোগো ও ট্যাগলাইন
কি কি তথ্য কার্ডে লিখবেন তা ঠিক করার আগে দেখে নিন আপনার লোগো ও ট্যাগলাইন ঠিকমত দেয়া হয়েছে কিনা। যেহেতু আপনার ভিজিটিং কার্ড আপনার ব্র্যান্ডের একটি এক্সটেনশন, এতে অবশ্যই আপনার ব্যবসায়িক পরিচিতি থাকতে হবে, এই কার্ড যেন এর সাইজ, রঙ ও অন্য সকল বৈশিষ্টের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার পরিচিতি তুলে ধরে।
একজন বাহক যেন কার্ডটি হাতে নেয়া মাত্রই পরিষ্কারভাবে আপনার ব্যবহার ব্র্যান্ড ও পরিচিতি স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে, পরবর্তীতে যে আপনার ব্যবহার লোগো বা নাম দেখলেই যেন সাথেসাথে আগে দেখা ব্র্যান্ডিং এর সাথে মিলিয়ে চিনে ফেলতে পারে। অন্যত্র যেমন আপনার ওয়েবসাইট, পোর্টফোলিও বা নিউজলেটারের ব্র্যান্ডিং দেখে সে আপনার ভিজিটিং কার্ডের কথা মনে করে চিনে নিতে পারবে।
২। নাম ও জব টাইটেল
এই ব্যপারে না বললেও বোঝা যায়, তাই না? কিন্তু আপনি জেনে অবাক হবেন, কত মানুষ এই সামান্য জিনিষটি ভুল করে বসে থাকে। প্রথমে আপনার নাম। ধরেন আপনার নাম শামীমুজ্জামান, কিন্তু আপনি নিজেকে শামীম নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন, বা আপনাকে সবাই স্যাম নামেই চেনে - এক্ষেত্রে, আপনাকে মানুষ যেই নামে চেনে, সেই নামই কার্ডে ব্যবহার করতে হবে, যে নামে আপনার পরিচয় মানুষ জানেনা, তা কার্ডে ব্যবহার করা দরকার নেই। ভিজিটিং কার্ডে গৎবাঁধা ফর্মাল ইনফরমেশন লিখে না দিয়ে নিজের পরিচয় তুলে ধরলে, মানুষ আপনার সাথে পরিচিত হতে আগ্রহী হবে, কথা বলতে কৌতূহলী বোধ করবে। আপনি মানুষের কাছে যেই নামে সম্বোধিত হতে চান, কার্ডে সেই নাম ব্যবহার করলে অযথা অনেক বিব্রতকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব।
জব টাইটেল কি দেবেন? একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ব্যবসায়ীক কাজে অনেক পদবীই হয়ত আপনি জীবণে ব্যবহার করেছেন নিজের পরিচয় দিতে। তো, কোনটি আপনি আপনার ভিজিটিং কার্ডে লিখবেন? সেই ডেসিগনেশন ব্যবহার করুন - যেটা দিয়ে আপনার ব্যবসায় আপনার কাজ সম্পর্কে টাইটেলটি পড়েই ধারনা পাওয়া যায়। - পরবর্তীতে সেই কাজের জন্যই মানুষ আপনাকে কাজে নিতে চাইবে।
আমি বললে বিশ্বাস করবেন না বিভিন্ন কনফারেন্সে আমি কত মানুষের ভিজিটিং কার্ড পেয়ে থাকি, সেগুলার অনেকগুলা দেখেই বোঝার উপায় নেই, যে কার্ডটি দিলো যে আসলে কর্মজীবণে কি কাজ করে। তার পরিবর্তে তারা নামের পাশে সিইও, ফাউন্ডার বা প্রেসিডেন্টের মত ফালতু টাইটেল লাগিয়ে বসে থাকে। আপনার মনে হতে পারে যে এমন করা অনেক স্টাইলিশ একটা ব্যাপার, কিন্তু এটা খুবই অফলপ্রসূ একটি ভুল। বাসায় ফেরার আগেই আমি ভুলে যাই, যে কার্ড দিয়েছিল সে কি কাজ করে বা তাকে আমি আদৌ কেন কোন কাজের জন্য কল করব। জেমনঃ যদি কার্ডে লেখা থাকে - আবুল, ফাউন্ডার অফ ভিডিও মাস্টার্স, তাহলে সেটা আদতেই কাজের কোন কিছু হয়না। "তাহলে আবুল কি ভিডিওগ্রাফার ছিল?" নাকি ভিডিও এডিটর? নাকি ভিডিওর স্ক্রিপ্ট রাইটার? ধ্যাত, ভুলে গেছি।" ধ্যাত্তারি!
নিজের কাজের কথা তুলে ধরতে ভিজিটিং কার্ডে একটি অর্থবহ পদবী ব্যবহার করা উচিৎ। উদাহরণস্বরূপঃ
ভিডিও মাস্টার্স আবুল হোসেন, ভিডিওগ্রাফার ও কো-ফাউন্ডার।
৩। যোগাযোগ
যোগাযোগের তথ্য হচ্ছে ভিজিটিং কার্ডের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ অংশ। আপনি যদি চান মানুষ আপনাকে কন্টাক্ট করুক, তাহলে অবশ্যই তাদের যোগাযোগের উপায় করে দিতে হবে। কিন্তু এতো উপায়, এর মধ্যে কন্টাক্ট করার কোন উপায়গুলো কার্ডে দেবেন? এর উত্তর হচ্ছে, সব "ডাইরেক্ট উপায়গুলো"।
Flat business card template design (available on GraphicRiver).
স্বভাবতই ভিজিটিং কার্ড প্রস্পেকটিভ ক্লায়েন্টদের সাথে একটি পার্সোনাল কানেকশন তৈরি করতে চেস্টা করে। বাজারী সাধারণ মেইল যেমন info@DomainName.com বা দেখতে গুরুত্বহীন কোন অ্যাড্রেস ব্যবহার করে যেই কানেকশন নষ্ট করা একদমই উচিৎ নয়। বা ল্যান্ডফোনের জেনারেল লাইন, যেখান থেকে আপনাকে খুজে পেতে কয়েকটা এক্সটেনশন পার করতে হয়।
আবার বাড়ির নাম্বারও দেয়া যাবে না, যেখানে ফোন করলে আপনার ৫ বছরের বাচ্চা ফোন তুলে ক্লায়েন্টের সাথে গল্প জুড়ে দিতে পারে। তাই, আপনার পার্সোনাল নাম্বার দিতে হবে, বা আপনার পার্সোনাল ইমেইল অ্যাড্রেস, যেগুলো একমাত্র আপনিই ব্যবহার করে থাকেন। যেমন, yourname@gmail.com বা আপনার ডোমেইনে হোস্টেড আপনার নিজের ইমেইল অ্যাড্রেস। বাসার নাম্বারের মত জেনারেল অপশন ব্যবহার করা খুবই আনপ্রফেশনাল।
সবসময় পার্সোনাল ও ডাইরেক্ট কন্টাক্ট ইনফরমেশন ব্যবহার করে কার্ড তৈরি করবেন। এতে ব্যবসা থেকে প্রাইভেট লাইফ সেপারেট করা সহজ হয়।
কার্ডে কি ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস দেয়া দরকার আছে? যদি আপনার ব্যবসার জন্য একটি কারখানা বা স্টুডিও থাকা আবশ্যক হয়, কেবল তবেই দেবেন। আপনি যদি ফটোগ্রাফার হন, যে বিভিন্ন স্পটে গিয়ে ছবি তুলে থাকেন, তবে কার্ডে আপনার কোন এরিয়ায় কাজ করেন তা উল্লেখ করতে পারেন। কিন্তু যদি আপনি কপিরাইটার হয়ে থাকেন, এবং বেশিরভাগ কাজ অনলাইনে করে থাকেন, তবে ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস কার্ডে উল্লেখ করার কোন মানে হয়না। এক্ষেত্রে তা অপ্রয়োজনীয়।
৪। আপনার ওয়েবসাইট, কিন্তু আপনার হোমপেজ নয়।
কেন আপনার ওয়েব অ্যাড্রেস আপনার কার্ডে দেবেন? শুধু আছে বলেই দিতে হবে, এমন নয়। সে তো আজকাল সবাই দেয়। আশা করা যায় যে, যাদের সাথে দেখা হওয়ার পর এত ইমপ্রেসড ছিলো যে বাড়ি ফিরেই আপনার সাইট চেক করে দেখবে, যেন আপনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারে। তাহলে তাদের কি এমন একটি পেজে পাঠানো উচিৎ না, যেই পেজে তাদের জন্য উপযুক্ত ইনফরমেশন থাকবে?
একটি পেজ তৈরি করুন ওয়েবসাইটের জন্য, যেখানে একটি স্বাগতম বার্তা বা শর্ট ভিডিও থাকবে যা আপনার পরিচয় তুলে ধরবে এখন দর্শকদের বোঝাতে সাহায্য করবে যে কি কি কাজে আপনি তাদের সহায়তা করতে পারেন। একটি স্পেশাল অফার দিয়ে রাখতে পারেন, বা কোন বোনাস যেটি ভিজিটররা ডাউনলোড করে নিতে পারবেন, আপনার সাইটে ভিজিট করার পুরষ্কার হিসেবে। সংক্ষেপে, ওয়েবসাইটের ব্যবহারে যেন নতুন কানেকশনগুলো আরো দৃঢ় হয়, যাদের কাছে আপনার ভিজিটিং কার্ড আছে, তাদের সাথে।
একটি প্রো টিপঃ আপনার সাইটের URL যেন খুব ছোট ও সহজ হয়, যা টাইপ করতে সুবিধা। ৩ লাইন লম্বা ওয়েব অ্যাড্রেস টাইপ করে কেউই আপনার সাইট ভিজিট করতে আগ্রহ পাবে না। সাইট টি সুন্দর ও সিম্পল রাখুন, এতে করে সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। ব্যক্তিগতভাবে, আমি "domainname.com/magic" নামের মত কোন ওয়েব অ্যাড্রেস খুলে দেখতে বেশি আগ্রহী হব। আবার সেভাবেই "domainname.com/landing-page."নামটি তেমন আকর্ষনীয় না।
৫। সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল
আপনার কার্ডে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলগুলাও অ্যাড করুন কিন্তু সবগুলো নয়। সোশ্যাল মিডিয়া আজকাল আমাদের জীবণের অবিচ্ছেদ্য অংশ, ট্র্যাডিশনাল ও ডিজিটাল ব্যবসা উভয়ের জন্যই গুরুত্বপুর্ণ। আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভ না থাকা মানে হচ্ছে কাস্টমারের কাছে আপনার অস্তিত্ব না থাকা। আদতে আক্ষরিকভাবেই এখন এই অবস্থা।
কিন্তু এই জন্য আপনার সব ৭/৮ টা সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল কার্ডে উল্লেখ করতে হবেনা। এখানে আমরা সিম্পল ডিজাইন রুল ফলো করে কাজ করব যা নিয়ে নিচে ৬ নাম্বার পয়েন্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, আপনি আপনার সাথে কানেক্ট করার মত যথেষ্ট উপায় কার্ডে উল্লেখ করবেন, কিন্তু চয়েসের আধিক্যে যেন কেউ অনিশ্চয়তায় না ভোগে সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার একটা কি দুইটা প্রোফাইল দিলেই যথেষ্ট, যা থেকে সবাই আপনার কাজের সম্পর্কে একটি আইডিয়া পাবে।
ক্রিয়েটিভ পার্সোনাল বিজনেস কার্ড যাতে সোশ্যাল ফিচার রয়েছে। টেমপ্লেটটি GraphicRiver এ পাওয়া যাবে।
উদাহরন্সরুপঃ আপনি ফটোগ্রাফার বা ভিডিওগ্রাফার হলে কার্ডে আপনার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট উল্লেখ করুন। গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলে Behance প্রোফাইল অ্যাড করুন। লেখক বা ব্লগার হলে আপনার লেখা যেখানে রয়েছে, যেমন medium এর প্রোফাইল অ্যাড করতে পারেন। আপনার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল প্রোফাইলের লিংক দিন, বাকিগুলো না দিলেও হবে।
৬। হোয়াইট স্পেস
হ্যা। হোয়াইট স্পেস এতটাই ইম্পর্টেন্ট, যে এটি নিয়ে আলাদা একটি পয়েন্ট লিখতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে আমরা কিছু এমন ভিজিটিং কার্ড দেখি, যেগুলার মধ্যে ডিজাইন ও তথ্য একটাই ঘিঞ্জি অবস্থায় থাকে যে দেখে অসুস্থ অনুভব হয়। তাইনা? মনে রাখতে হবে যে কার্ডের পয়েন্টগুলো দিয়ে মানুষকে বিরক্ত করে ফেলা যাবেনা, বরং কুশলাদি অবলবদলের আমন্ত্রণ জানাতে হবে। ঘিঞ্জি কার্ড দেখে সবাই বিরক্ত হয়।
হোয়াইট স্পেস এর রঙ যে সাদাই হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই। সহজে বলা যায় যে, কার্ডে দেয়া তথ্যের আগে পরে যথেষ্ট ফাঁকা যায়গা থাকতে হবে, যেন ডিজাইন নান্দনিক হয়। এই মিনিমাল বিজনেস কার্ড ডিজাইন গুলো দেখতে পারেন, যেখানে অপ্রয়োজনীয় ক্লাটার নেই।
৭। সৃজনশীলতা
এই শেষ টিপস টি হচ্ছে ভিজিটিং কার্ড ডিজাইনের সকল টিপসের টেক্কা। এই সকল টিপসগুলো প্র্যাকটিকেল ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত, যা দিয়ে সাধারণত সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। তবুও, লাইন কে লাইন সব টিপস ও রুল ফলো করে গেলেও ভালো একটি কার্ড ডিজাইন করা সম্ভব নাও হতে পারে, যদিনা যেটা বোরিং ও প্রেজেনটেশন ভালো না হয় ( যেমন আমরা আগেও অনেকবার হয়ত দেখেছি), তাহলে এই কার্ডের মাধ্যমে কেউই আপনার সাথে সহজে যোগাযোগ করবে না। সে যত হাজার কার্ডই আপনি বিলান না কেন।
তাই উপস্থাপনায় ক্রিয়েটিভিটি দিয়ে কার্ডের ডিজাইনে নিজেকে তুলে ধরতে হবে!
কার্ড ডিজাইনের মাধ্যমেই কিন্তু মানুষকে জানানো সম্ভব যে আপনি কি করেন, তাহলে শুধু কার্ডের পদবী দেখে না মানুষকে আন্দাজ করতে হবেনা। আপনি মিউজিশিয়ান হলে কার্ডের আকার একটি রেকর্ড প্লেয়ার না ক্লাসিক পিয়ানোর মত ডিজাইন করতে পারেন, বা নিজের মিউজিকের সাথে মিল রেখে কোন বাদ্যযন্ত্রের মত।
মানুষকে হাসান, তাদের আগ্রহ উদ্রেক করুন, তাদের নিজে থেকেই বুঝে নিতে নিন না বলা কথা। সৃজনশীল হন। আর যদি নিজে থেকে একটি ক্রিয়েটিভ আইডিয়া বের করতে না পারেন, তাহলেও টেনশন নেই। আপনি একটি বিজনেস কার্ড ডিজাইন বেছে নিয়ে ওটার উপর নিজের কার্ড ডিজাইন শুরু করতে পারেন। এমন কারো সাথে যোগাযোগ করুন যার ডিজাইন আপনি পছন্দ করেন, তাদের মতামত নিন, কিভাবে আপনার কার্ড বানাবেন।
যেটাই করবেন ভাবেন না কেন, সেটিই করুন যেটি আপনার ব্যবসার জন্য বেষ্ট হয়! মানুষকে আপনার সাথে যোগাযোগ করার উপায় করে দিন - সে যদি কেউ শুরু এই বলার জন্য ফোন করে যে, "আপনার ভিজিটিং কার্ডটি দেখে আমার অনেক ভালো লেগেছে", তাই সই! এখান থেকেই সকল নেটওয়ার্কিং শুরু হয়। পরে তা আরো দৃঢ় কানেকশনে পরিবর্তন করার সুযোগ পাওয়া যায়।
তো এখন ভিজিটিং কার্ড সম্পর্কে সব জানার পর এখন আপনি কেমন কার্ড নিজের জন্য বানাতে চান? আপনার কি কোন বিজনেস কার্ড এর ডিজাইন দেখে অনেক ভালো লেগেছে? নিচে কমেন্ট করে সেটা সম্পর্কে আমাদের অবশ্যই জানান!
ফ্রিল্যান্সিং শব্দটির ব্যাপক অর্থ থাকলেও আমাদের দেশে অনলাইনে বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করে উপার্জন করাকেই ফ্রিল্যান্সিং বলে।
ফ্রিল্যান্সিং উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে এক বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। এটি উন্নয়নশীলদেশের সাধারন ছেলেমেয়েদেরকেও ভালো আয়ের মাধ্যমে উন্নত জীবন যাপনের সুযোগ এনে দিয়েছে।
ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে অনলাইনে চুক্তিভিত্তিক কাজ করে উপার্জন করার পদ্ধতি। আপনি ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী যে কোন কাজ করে দিবেন। কাজ শেষ হলে সেই কাজের টাকা বুঝে নিবেন। সিম্পল!!
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য যা প্রয়োজনঃ
ইংলিশে দক্ষতাঃ যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং কাজের অধিকাংশ ক্লায়েন্টই বিদেশি। তাই সঠিকভাবে যোগাযোগের জন্য ভালো ইংলিশ জানা বাধ্যতামূলক।
ইন্টারনেটসহ ল্যাপটপ বা পিসি
কাজের দক্ষতাঃ আপনি যে ধরনের কাজ করতে চান, যেমন আর্টিকেল রাইটিং, ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি কাজের ভালো দক্ষতা প্রয়োজন। ফ্রিল্যান্সিং এ এখন অনেক প্রতিযোগীতা হওয়ায় ভালো দক্ষতার কোন বিকল্প নেই।
ধৈর্য্যঃ যে কোন ভালো কাজের মতো ফ্রিল্যান্সিং এ সাফল্যের জন্যও ধৈর্য্য এর দরকার আছে। শুরুর দিকে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে একটু সময় লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে ধৈর্য্য ধরে চেষ্টা করে যাওয়ার কোন বিকল্প নেই।
কি ধরনের কাজ আপনি করবেন?
ফ্রিল্যান্সিং কাজের অনেক ক্ষেত্র আছে। আপনি আপনার পছন্দ, দক্ষতা এবং সুযোগ অনুযায়ী আপনার কাজের ক্ষেত্র বেছে নিবেন। তাই আমি আপনাকে স্পেশাল কোন ক্ষেত্র সাজেস্ট করাটা ভুল হবে।
তারপরেও আপনার বোঝার জন্য বলি।
আপনি যদি ক্রিয়েটিভ মনের মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনি ডিজাইন টাইপের কাজ করতে পারেন। এটা হতে পারে লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন, অ্যাড ডিজাইন ইত্যাদি।
আপনি যদি ইংলিশ লেখায় দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে রাইটিং টাইপের কাজ করতে পারেন। এটা হতে পারে আর্টিকেল রাইটিং, ব্লগ রাইটিং, ওয়েবসাইট কন্টেন্ট রাইটিং ইত্যাদি।
আপনি যদি প্রোগ্রামিং পছন্দ করেন তাহলে পিএইচপি, জাভাস্ক্রিপ্ট, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি কাজ করতে পারেন।
আপনি যদি মানুষের সাথে কমিউনিকেশন করতে ভালো পারেন তাহলে মার্কেটিং বা কাস্টোমার সার্ভিস টাইপের কাজ করতে পারেন।
আর আপনার যদি বিশেষ কোন যোগ্যতা না থাকে তাহলে ডাটা এন্ট্রি বা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টাইপের কাজ করতে পারেন। কিছু কাজের উদাহরণ হলো ইন্টারনেট থেকে খুঁজে খুঁজে কোন কিছুর লিস্ট করা, অডিও শুনে সেটা টাইপ করা, সোস্যাল মিডিয়ায় কোন কিছু পোস্ট করা ইত্যাদি।
কিন্তু কোন কাজের চাহিদা এবং রেট বেশী?
এতক্ষনে নিশ্চয়ই আপনাদের মনে এই প্রশ্ন জেগেছে। কোন কাজের চাহিদা এবং রেট বেশী সেটা আপনি নিজেই খুঁজে নিতে পারবেন।
জব ক্যাটাগরি সিলেক্ট করলে নিচে সাব-ক্যাটাগরি দেখাবে।
বিভিন্ন ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে সেখানে ১ দিনে কতোগুলো জব পোস্ট হয় দেখুন।
জবগুলোর বাজেট কিরকম দেখুন।
প্রত্যেক জবে কতোজন Proposal সাবমিট করে দেখুন।
তাহলেই আপনি আইডিয়া পাবেন আপনার পছন্দের ক্যাটাগরিতে কাজের চাহিদা, রেট এবং প্রতিযোগীতা কেমন।
মনে রাখবেন, উপরের লিঙ্কে অর্থ্যাত আপওয়ার্ক এ ২ ধরনের জব আছে। Fixed Price এবং Hourly।
Fixed Price এ কাজের বাজেট ক্লায়েন্ট আগেই উল্লেখ করে দেয়।
কিন্তু Hourly বা ঘন্টায় চুক্তির কাজে আপনি প্রতি ঘন্টা কাজের জন্য কতো নিবেন এবং সর্বোচ্চ কতো ঘন্টার মধ্যে কাজটি করতে পারবেন সেটা প্রোপোজাল এ উল্লেখ করে দিবেন।
কাজ শেষ হলে ঘন্টা হিসেবে আপনি টাকা পাবেন।
একারনেই ঘন্টা চুক্তির জবগুলোতে আপনি বাজেট দেখতে পাবেন না।
কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন?
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য আপনাকে নিচের ধাপগুলো অনুসরন করতে হবে।
ধাপ-১ ===== প্রথমে কোন ক্যাটাগরির কাজ করতে চান সেইটা ঠিক করুন। কাজের চাহিদা, রেট ইত্যাদি জানার জন্য উপরেল্লিখিত পদ্ধতি অনুসরন করুন।
ধাপ-২ ===== নিজেকে সেই কাজের জন্য প্রস্তুত করুন। ইন্টারনেট ঘেটে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল দেখে কাজ ভালোভাবে শিখে নিন।
পরিচিত কেউ সে ব্যাপারে এক্সপার্ট হলে তার সাহায্য নিন।
ফ্রিল্যান্সিং এ এখন অনেক প্রতিযোগীতা হওয়ায় ভালোভাবে দক্ষ হওয়ার কোন বিকল্প নেই।
ধাপ-৩ ===== আপনার কাজের একটি পোর্টফোলিও তৈরি করুন।
আপনি ডিজাইনার হলে বেশ কিছু সুন্দর ডিজাইন করে একটি ফ্রি ব্লগ তৈরি করে সেখানে আপ্লোড করুন।
রাইটার হলে কয়েকটি ভালোমানের আর্টিকেল লিখে পোস্ট করুন।
মোটকথা আপনার কাজের কিছু নমুনা ক্লায়েন্টকে দেখানোর জন্য প্রস্তুত করুন।
কারন আপনার যতোই দক্ষতা থাকুক না কেন, আপনি আপনার কাজের উদাহরণ না দেখালে কেউ বুঝবে না।
ভালো একটি পোর্টফোলিও আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকগুনে বাড়িয়ে দিবে।
ধাপ-৪ ==== যে কোন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হচ্ছে ওয়েবসাইট যেখানে ক্লায়েন্টরা জব পোস্ট করে।
সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হচ্ছে https://www.upwork.com
এখানে অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পরে প্রোফাইলে সব তথ্য ঠিকভাবে পূরন করুন। কোন তথ্যই ফাঁকা রাখবেন না।
আপনার প্রোফাইলে সব তথ্য দিয়ে সেটাকে আকর্ষনীয় এবং বিশ্বাসযোগ্য করলে ক্লায়েন্টরা আপনাকে সহজে ট্রাস্ট করবে।
তবে মিথ্যা বা অতিরঞ্জিত কোন কিছু দিবেন না।
অনলাইনে বিশ্বাস হচ্ছে সব কিছুর মূল্ভিত্তি। আপনার অতিরঞ্জিত বা মিথ্যা তথ্যের কারনে ট্রাস্ট হারালে সেটা ফেরত পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে।
ধাপ-৫ ==== এবার আপনার পছন্দের ক্যাটাগরি ঘুরে ঘুরে আপনার পছন্দের জব খুঁজে বের করুন এবং প্রপোজাল সাবমিট করুন।
প্রথমদিকে টাকার পরিমান না চিন্তা করে কাজ এবং রেটিং কে গুরুত্ব দিন।
প্রয়োজনে একটা কাজ ক্লায়েন্টের বাজেটের অর্ধেক টাকায় করে দেওয়ার প্রস্তাব দিন।
কাজ ভালোভাবে শেষ করলে ক্লায়েন্ট আপনাকে ভালো রেটিং দিবে। এইটা আপনার ক্যারিয়ারে অনেক ইম্পরট্যান্ট একটা জিনিস।
আপনার প্রোফাইলে শেষ করা প্রোজেক্টের সংখ্যা বাড়লে এবং ভালো রেটিং থাকলে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।
বোনাস ধাপ ======== আপনার পরিচিত কেউ যদি Upwork এ কাজ করে তাহলে তাকে অনুরোধ করে তার কাছ থেকে একটি অল্প বাজেটের কাজ নিন।
কাজ শেষ করে সে রেটিং দিলে আপনার প্রোফাইলে একটা কমপ্লিট প্রোজেক্ট এবং রেটিং যোগ হবে।
এটা আপনাকে পরবর্তী প্রোজেক্ট পেতে সাহায্য করবে।
কিভাবে টাকা হাতে পাবেন?
ফ্রিল্যান্সিং এর ইনকাম হাতে পাওয়া খুব সহজ। Upwork এর সাথে জনপ্রিয় পেমেন্ট সার্ভিস Payoneer এর পার্টনারশীপ আছে।
Payoneer আপনাকে একটা মাস্টারকার্ড পাঠাবে যেটা দিয়ে আপনি সহজেই এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন।