Showing posts with label Life Style. Show all posts
Showing posts with label Life Style. Show all posts

Sunday, March 4, 2018

বিয়ের আগে পাত্রীর এই পরীক্ষাগুলো করে নেওয়া উচিত

বিয়ের আগে পাত্রীর এই পরীক্ষাগুলো করে নেওয়া উচিত

বিয়ে মানবসমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। এ বাঁধনে দুটো হৃদয় জড়িয়ে পড়ে। দুজনার হাতে হাত রেখে কাটে জীবনের একটি বড় অংশ। কাজেই এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভেবে চিন্তে নেওয়াই শ্রেয়। বিশেষ করে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে। বিভিন্ন দেশে বিয়ের আগেই পাত্রপাত্রীরা জেনে নেন তাঁর হবু জীবন সঙ্গী কোনো ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত কি না। আমাদের দেশের জনগণ এ ব্যাপারে সচেতন না হলেও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। আসুন জেনে নিই কী ধরনের পরীক্ষাগুলো বিয়ের আগে করানো দরকার। গোপনে হলেও অন্তত পাত্র-পাত্রীর নিজ উদ্যোগে এ পরীক্ষাগুলো করে নেওয়া উচিত।

বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে কী কী স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা উচিত তা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কী সেগুলো।

বয়স পরীক্ষা
বয়সের আগে কিংবা দেরি করে বিয়ে উভয়েই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কম বয়সী মেয়েরা মা হলে ডিম্বাশয় ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। দেরি করে বিয়ে করলে অর্থাৎ ৩৫ বছরের পরে মা হলে সন্তান প্রসবে নানা জটিলতা হতে পারে। তাই পাত্রপাত্রীর বয়সের ব্যবধান যেন পাঁচ বছরের বেশি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

বন্ধ্যত্ব পরীক্ষা
বিয়ের আগে গাইনোকোলজিস্টের কাছে গিয়ে পাত্রীর পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া উচিত ইউটেরাস ও ওভারিতে কোনো সমস্যা আছে কিনা। সেইসঙ্গে পাত্রের পুরুষত্ব ও বীর্যপাতজনিত কোনো সমস্যা আছে কিনা তা আগেই টেস্ট করে জেনে নেওয়া উচিত।

যৌনরোগ পরীক্ষা
বিয়ের আগে একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক থাকলে এইচআইভি, গনোরিয়া, সিফিলিসের মতো যৌনরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিয়ের আগে এই পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। এই পরীক্ষাকে সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (এসটিডি) বলা হয়।

রক্ত পরীক্ষা
রক্তের বিভিন্ন সংক্রমণের কারণে জন্মের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সন্তান মারা যেতে পারে। রক্তের নানা সংক্রমণে হিমোফিলিয়া এবং থ্যালাসেমিয়ার মতো রোগ হতে পারে। তাই রক্ত পরীক্ষা করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের।

জ্বীন পরীক্ষা
একজনের স্তন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সারসহ কোনো রোগ রোগ থাকলে অপর সঙ্গীরও সেই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিয়ের আগে প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করে চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত।

Monday, January 1, 2018

শীতে ঠোঁট নরম করবেন যেভাবে!

শীতে ঠোঁট নরম করবেন যেভাবে!


শীতে ঠোঁট নিয়ে পড়তে হয় নানা বিরম্বনায়। ঠোঁট ফাটা নিয়ে পড়তে হয় মহা বিব্রতকর পরিস্থিতে। তাই ত্বকের পাশাপাশি ঠোঁটের যত্ন খুবই জরুরি। জেনে নিন শীতের দিনে ঠোঁট নরম করবেন যেভাবে:
মধু ও গোলাপ জল: খুব তাড়াতাড়ি ঠোঁট ফাটা কমায় এবং তাকে করে তোলে নরম ও পেলব। এক চা চামচ মধু ও এক চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। ঠোঁটে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দিনে অন্তত চারবার এই মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগানোর চেষ্টা করুন।
ঠান্ডা দুধ: দুধের পুষ্টি ঠোঁটকে নরম করে। দুধকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। কিছুক্ষণ পর ঠান্ডা দুধকে ধীরে ধীরে ঠোঁটে মাখুন। একে ১৫ মিনিট রেখে শুষ্ক হতে দিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ঠোঁট নরম রাখার জন্য দিনে দুবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। ঠান্ডা দুধের এই প্রণালি সারা বছরই ব্যবহার করা যেতে পারে।
জলপাইয়ের তেল: ঠোঁটকে নরম করতে জলপাইয়ের তেল আরেকটি ভালো উপাদান। সামান্য জলপাইয়ের তেল নিয়ে ঠোঁটে মাখুন। ভালো ফলাফল পাওয়ার জন্য দিনে তিন থেকে চারবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। এটি ঠোঁট নরম করতে সাহায্য করবে।
লেবুর রস: নরম ও পেলব ঠোঁট খুব সহজেই পাবেন লেবুর রস লাগিয়ে এছাড়া নিয়মিত লেবুর রস লাগালে ঠোঁটের বয়েস বাড়বে না। এছাড়াও কালো ছোপ ও মিটে যাবে । এক চা চামচ দুধের সর ও তিন ফোঁটা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটা ফ্রিজে রেখে দিন। রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণটা লাগিয়ে নিন। সুফল পাওয়ার জন্য অন্তত তিন দিন অপেক্ষা করুন।

Saturday, November 25, 2017

মেয়েদের সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য

মেয়েদের সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য



প্রত্যেক ছেলেই বলে থাকেন নিজের সঙ্গীর পুরোটাই জানেন তিনি। যতোটা জেনে ফেলেছেন মনে করছেন, ঠিক ততোটা কিন্তু এখনো আপনি জানতে পারেননি।

জেনে নিন মেয়েদের সম্পর্কে অজানা কিছু তথ্য-

১) মেয়েরা দিনে গড়ে প্রায় ২০০০০ শব্দের ব্যাবহার করে কথা বলার জন্য। যেখানে ছেলেরা গড়ে মাত্র ৭০০০ শব্দ ব্যাবহার করে।

২) প্রতি ৯০ সেকেন্ডে গর্ভপাত ও সন্তান জন্মদানের কারনে একজন মহিলা মৃত্যুবরন করেন।

৩) মেয়েরা তাদের সম্পূর্ণ জীবনের প্রায় এক বছরের মত সময় শুধুমাত্র কোন কাপড়টি পরিধান করবে তা চিন্তা করেই কাটিয়ে দেন।

৪) মেয়েরা বছরে প্রায় ৩০ থেকে ৬৪ বার কান্নাকাটি করে আর সেখানে ছেলেরা ০৬ থেকে ১৭ বার কান্না করে।

৫) মেয়েরা দিনে তিন বার মিথ্যা বললে, ছেলেরা দিনে ছয় বার মিথ্যা কথা বলে।

৬) মহিলাদের হৃদকম্পন পুরুষের তুলনায় বেশি। একই সময়ে পুরুষের তুলনায় মহিলাদের হৃদকম্পনের পরিমান বেশি ও দ্রুত। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখনও জানা যায় নি।

৭) রাশিয়ায় পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা প্রায় নয় লক্ষ বেশি।

৮) যেসব নারীদের হার্ট ও বুকে ব্যথার সমস্যা রয়েছে, তাদের বিষণ্ণতা, বদহজম ও কাঁধে ব্যথার সমস্যাও রয়েছে।

৯) ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা কোনো কিছুর স্বাদ পরীক্ষায় বেশি পারদর্শী।

১০) লম্বা নারীদের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

১১) মহিলাদের মৃত্যুর প্রধান কারন হৃদরোগ। তাই কোন নারী যদি কখনো বলে যে তার হার্ট নেই, তাহলে বিশ্বাস করবেন না।

১৩) সকল মহিলারাই সুন্দর। শুধু কমতি আছে আত্মবিশ্বাসের। তাই নিজের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করুন। পৃথিবীতে মাত্র ২ শতাংশ নারী নিজেকে সুন্দর বলে মনে করেন ও প্রকাশ করেন।

১৪) মেয়েরা এক মিনিটে প্রায় ১৯ বার তাদের চোখের পলক ঝাপটায়। যেখানে ছেলেরা মাত্র ১১ বার। নিজে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

১৫) মেয়েরা প্রচুর পরিমানে স্বপ্ন দেখে। একটি মেয়েকে স্বপ্নের কথা জিজ্ঞেস করলে তার কাছে বলার জন্য অনেক গল্প পাবেন, কিন্তু একজন পুরুষকে কাল রাতের স্বপ্নের কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলতে পারবে না।

Saturday, September 30, 2017

মাথার উকুন মারার ঘরোয়া উপায়

মাথার উকুন মারার ঘরোয়া উপায়



মাথায় উকুন (Lice) হওয়া এক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকেই উকুন সমস্যায় পড়ে থাকে। বিশেষ করে বাচ্চাদের মাথায় উকুন বেশি দেখায় যায়। উকুন একটি পরজীবী প্রাণি যা মানুষের মাথার ত্বকে বসবাস করে এবং খুব সহজেই একজনের মাথা থেকে অন্যের মাথায় চলে আসে। তবে বিরক্তিকর এ সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় আছে। কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে সহজেই এ সমস্যা দূর করা সম্ভব। আসুন জেনে নেই সেই উপায়গুলোঃ-

১। লেবুর রসঃ
লেবুর রসে আ্যাসিড থাকে যা উকুন তাড়াতে এবং আটকাতে উপযোগী। লেবুর রসের সাথে আদা বেটে সেই মিশ্রণটি আমাদের চুলে প্রায় আধ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। এরপর জল এবং তারপর শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি পর পর ৪-৫ দিন চুলে লাগালে পুরোপুরি উকুন আটকানো যায়।

২। ভিনেগারঃ
উকুনকে প্রতিরোধ করার জন্য ভিনিগার হলো খুব ভাল। ভিনিগারে প্রচুর পরিমানে আসিটিক আ্যাসিড থাকে যা আমাদের চুলে হওয়া উকুনকে মারতে সাহায্য করে। সমান পরিমানের ভিনিগার আর মিনারেল অয়েল মিশিয়ে ঘুমোনোর আগে সেইটা আমাদের মাথার তালুতে এবং চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর সকালে ঘুম থেকে উঠে চুলে শ্যাম্পু করে নিতে হবে।

৩। মেয়োনিজঃ
উকুন মারার জন্য মাথায় চুলে পেট্রোলিয়াম জেলী বা এমন কোন পদার্থ মেখে রাখুন। আপনি চাইলে মেয়নিজ ব্যবহার করতে পারবেন, তবে সেটা বেশ দামী হয়ে যায়। মেয়নিজ আপনার চুলের জন্য ভালো। উকুন তো মারবেই, সাথে চুলকেও নরম ও মোলায়েম করে তুলবে। মেয়নিজ ব্যবহার করলে সাথে বেশ অনেকটা পেঁয়াজের রস মিশিয়ে নিন। পেঁয়াজের সালফার উকুন মারতে সহায়ক।

৪। নিম পাতাঃ
নিম হল প্রাকৃতিক প্রতিষেধক, যেটি উকুন দূর করতে অনেক বেশী কার্যকর। এটি মাথার চুলকানিও কমাতে সাহায্য করার সাথে সাথে স্কাল্প ময়েশ্চারাইজ করে থাকে। নিমের পেষ্ট করে সেটি চুল আর মাথার তালুতে লাগান। এটি সপ্তাহে দুবার করুন। নিমের তেল ব্যবহারেও চুল থেকে উকুন দূর করা সম্ভব।

৫। নারকেল তেলঃ
উকুন দূর করার ক্ষেত্রে নারকেল তেল অনেক ভাল কাজ করে থাকে। নারকেন তেল উকুনদের শ্বাসরোধ করে দেয় ফলে উকুনরা বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। তেলটি মাথায় ভাল করে ম্যাসাজ করুন। এরপর কিছুক্ষণ মাথা ঢেকে রাখুন। সকালে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুল শুঁকিয়ে গেলে চিরুনি দিয়ে আঁচড়িয়ে নিন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যে উকুন গায়েব হয়ে যাবে।

Thursday, August 3, 2017

যে ৩৩টি বিষয় আপনাকে সুখী করবে!

যে ৩৩টি বিষয় আপনাকে সুখী করবে!

মাতামাতি, মাছ ধরা, মসজিদে যাওয়া, ম্যাচটি দেখা এবং সবাইকে নিয়ে ঘুরতে বেড়ানোর মাধ্যমে মানুষকে তাদের সন্তানদের সাথে সময় কাটানোর চেয়ে সুখী করে তোলে।

ব্রিটেনকে সুখী করে তুলতে গবেষকরা ২০,০০০ এরও বেশি লোককে এমন একটি অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে বলেছিলেন যা দিনে বিভিন্ন সময়ে তাদের একটি 'পিং' পাঠিয়েছিল, এবং তাদের সুখের মাত্রা রেকর্ড করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল এবং সেই সময় তারা কি করছে। দলটি এক মিলিয়নেরও বেশি প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করেছে। এবং এখানে ফলাফল হয় ৩৩ টি জিনিস যা স্পষ্টভাবে আমাদের সুখী করে (১০০% সুখ বৃদ্ধি করে)-

১। অন্তরঙ্গতা, ভালবাসা তৈরি ১৪.২০%।
২। থিয়েটার, নাচ, কনসার্ট ৯.২৯%।
৩। প্রদর্শনী, যাদুঘর, লাইব্রেরি ৮.৭৭%।
৪। খেলাধুলা, চলমান, ব্যায়াম ৮.১২%।
৫। বাগান করা ৭.৮৩%।
৬। গান গাওয়া ৬.৯৫%।
৭। কথোপকথন, চ্যাটিং, সামাজিককরণ ৬.৩৮%।
৮। পাখি পর্যবেক্ষণ, প্রকৃতি দেখা ৬.২৮%।
৯। হাঁটাচলা ৬.১৮%।
১০। শিকার, মাছ ধরা ৫.৮২%।
১১। মদ পান ৫.৭৩% ।
১২। শখ, শিল্পকলা, কারুশিল্প ৫.৫৩%।
১৩। চেতনা, ধর্মীয় কার্যক্রম ৪.৯৫%।
১৪। ম্যাচ, ক্রীড়া ইভেন্ট ৪.৩৯%।
১৫। বাচ্চাদের সাথে খেলা করা ৪.১০%।
১৬। পোষা প্রাণীর সাথে খেলা করা ৩.৬৩%।
১৭। গান শোনা ৩.৫৬%।
১৮। অন্যান্য খেলা, কুইজ গেমস ৩.০৭%।
১৯। কেনাকাটা করা ২.৭৪%।
২০। জুয়া খেলা ২.৬২%।
২১। টিভি দেখা, মুভি দেখা ২.৫৫%।
২২। কম্পিউটার গেমস, আইফোন গেমস ২.৩৯%।
২৩। খাবার খাওয়া ২.৩৮%।
২৪। রান্না, খাদ্য প্রস্তুত ২.১৪%।
২৫। চা / কফি পান ১.৮৩%।
২৬। পড়ালেখা ১.৪৭%।
২৭। ওয়াশিং, ড্রেসিং ১.১৮%।
২৮। ঘুম, বিশ্রাম, সান্ত্বনা ১.০৮%।
২৯। ধূমপান ০.৬৯%।
৩০। ইন্টারনেট ব্রাউজিং ০.৫৯%।
৩১। টেক্সট, ইমেইল, সোশ্যাল মিডিয়া ০.৫৬%।
৩২। গৃহকর্ম, চাকরি ০.৬৫%।

Sunday, July 30, 2017

শয়তানের উপহার প্রেম?

শয়তানের উপহার প্রেম?

স্বামী স্ত্রী মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেন আল্লাহ তাআলা, আর প্রেমিক প্রেমিকার মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টি করে বিতাড়িত করে শয়তান। শয়তান মানুষকে প্রতিশ্রতি দেয় এবং মানুষের মনে মিথ্যা আশা-বাসনা সৃষ্টি করেঃ

'শয়তান প্রতিশ্রতি দেয় এবং মানুষের মনে মিথ্যা বাসনার সৃষ্টি করে। আসলে শয়তান তাদের যে ওয়াদা দেয় তা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুইনা।' [সূরা ৪ আন নিসাঃ আয়াত ১২০]

শয়তান নারী ও পুরুষকে কাছে এনে তাদের মাঝে যোগাযোগ ও আকর্ষণ সৃষ্টি করে দেয়। যার ফলে তারা অবৈধভাবে একজন আরেকজনকে কামনা করতে থাকে আর মনে করে তাকে পেলেই সে সুখী হতে পারবে। এইভাবে পুরুষদেরকে নারীদের দিয়ে এবং নারীদেরকে পুরুষদের দিয়ে শয়তান আদম সন্তানদের ধোঁকা দিয়ে পাপাচারে লিপ্ত করে।

শয়তান মানুষের মন্দ কাজকে তাদের কাছে শোভনীয় ও মোহনীয় করে তোলেঃ
'শয়তান তাদের মন্দ কাজসমূহকে তাদের দৃষ্টিতে চমৎকার ও মনোহরী করে তোলে এবং এভাবে তাদের সরল সঠিক পথ অবলম্বনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।' [সূরা ২৯ আনকাবুতঃ আয়াত ৩৮]

অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত নারী পুরুষের কামনা (অন্তরের যিনা), হারাম দৃষ্টিপাত (চোখের যিনা), স্পর্শ করা (হাতের যিনা), অশ্লীল কথা বলা (কথার যিনা), বিভিন্ন প্রকার নোংরামি ও অশ্লীলতা এমনকি সর্বশেষ যিনা-ব্যভিচার, পরকীয়াতে লিপ্ত করে। এতো জঘন্য কাজে লিপ্ত থেকেও তারা এইগুলোতে জড়িত থাকে, কারণ শয়তান এই পাপগুলোকে তাদের কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে যে, তারা এইগুলোর মোহ থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেনা।

শয়তান মানুষকে অশ্লীল ও মন্দ কর্মে প্রলুব্ধ করেঃ
'যে শয়তানের পদাংক অনুসরণ করে, সে জেনে রাখুক, শয়তান অশ্লীল ও মন্দ কাজের আদেশ দেয় (প্রলুব্ধ করে)।' [সূরা ২৪ আন নূর : আয়াত ২১]

শয়তান সবার প্রথম আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) কে আল্লাহর নিষেধের কাজে কুমন্ত্রনা দিয়ে তাদের লজ্জাস্থান প্রকাশ করে দিয়েছিল। এইজন্য আজ পর্যন্ত শয়তানের ১ নাম্বার চাল হচ্ছে অশ্লীলতা ও নগ্নতা। ইসলাম এইজন্য নারীদেরকে সম্পূর্ণ কভার করতে আদেশ করেছে, যাতে করে পুরুষদের জন্য কোন প্রকার ফেতনা না থাকে। যারা

হিদায়াতের পথ দেখতে পেয়েও তা পরিত্যাগ করে, শয়তান তাদের কাজকে শোভন করে দেখায় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশা দেয়ঃ 'হিদায়াত সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত ও প্রমাণিত হবার পর যারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, শয়তান তাদেরকে তাদের এ আচরণ শোভন ও চমৎকার করে দেখায় এবং তাদেরকে মিথ্যা আশা আকাংখায় লিপ্ত করে রাখে।' [সূরা ৪৭ মুহাম্মদ : আয়াত ২৫]

প্রেম-ভালোবাসায় লিপ্ত থেকে বহু ছেলে সময়, পড়াশোনা ও জীবন নষ্ট করে, বহু মেয়ে প্রেমিকের মন রক্ষা করতে গিয়ে সতীত্ব নষ্ট করে গর্ভবতী হয়, এবোরশান করে সন্তান, নিজের স্বাস্থ্য ও জীবন নষ্ট করে। বছরের পর বছর অনিশ্চিত ঝুলে থাকে কবে বিয়ে হবে, শেষে বিয়ে হয়না, প্রেমিক/প্রেমিকা ধোঁকা দেয়। এ সবই হচ্ছে, আল্লাহর আদেশ (হেদায়েত) লংঘন করে পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার দুনিয়াবী সামান্য প্রতিদান, আর পরকালের শাস্তি আরো কঠিন।

Wednesday, July 19, 2017

মনের মতো প্রেমিকা চিনবেন কীভাবে?

মনের মতো প্রেমিকা চিনবেন কীভাবে?



সবাই চায় মনের মতো একজন ভালো প্রেমিকা। যে আপনাকে সব সময় ভালো বাসবে। তাহলে প্রেমিকা কেমন হওয়া উচিত? এমন প্রশ্ন যদি আপনার প্রেমিকাকে করেন আপনাকে অবশ্যই মারতে আসবে। এবং আপনাকে গালাগালিও করতে পারে। পুরুষেরা আসলে তার প্রিয় মানুষটিকে নির্বাচন করতে একটু খুঁতখুঁতেই হয়ে থাকেন। প্রেমিকা হবে ডানা কাটা পরী। না হলে বন্ধুদের হিংসার পাত্র হতে হবে।

কিন্তু গবেষনা বলে অন্য কথা, এসবই বেহাৎ বাহ্যিক সৌন্দর্য। তাই বাইরের চাকচিক্যে মুগ্ধ হয়ে প্রেমিকা নির্বাচন করে অনেকেই বিবাহ পরবর্তী জীবনে ভোগেন নানান সমস্যায়।ম্পর্কে অশান্তি তো বটেই, বিয়ের পর পরিবারেও শুরু হয় অশান্তি। তাই ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা নির্বাচনে পুরুষদেরকে একটু সতর্ক হওয়া উচিত।

এবার আসুন জেনে নেয়া যাক মনের মতো প্রেমিকা নির্বাচনে কী কী বিষয় মাথার রাখবেন-

স্বনির্ভর
প্রেম করার সময়ে অবশ্যই লক্ষ্য রাখুন আপনার প্রেমিকা যেন স্বনির্ভর হয়। স্বনির্ভর হতে হলে তাকে আয় করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। পুরুষসঙ্গী ছাড়া একেবারেই কোনও কাজ করতে পারেন না এমন কোনো নারীর সাথে সম্পর্কে গড়ে তোলা উচিত না। কারণ আপনার উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা একসময়ে আপনার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পরে।

আপনার প্রতি যত্নশীল
আপনার পছন্দের নারীটি যদি আপনার প্রতি যত্নশীল হয় তাহলে সে হতে পারে আপনার জন্য ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা। আপনার খোঁজ খবর রাখা, আপনার বিপদের সময়ে মানসিক সহায়তা করা, পাশে থাকা ইত্যাদি গুণগুলোর সমন্বয়েই তিনি হয়ে উঠতে পারেন আপনার জন্য ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা।

পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল
প্রেম করার আগে খেয়াল করুন মেয়েটি আপনার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল কি না। আপনার পরিবারের সম্পর্কে কথা বলার সময়ে মেয়েটি যদি আপনার পরিবারকে যথেষ্ট সম্মান দিয়ে কথা বলে এবং আন্তরিকতা দেখায় তাহলে প্রেমিকা হিসেবে মেয়েটি হতে পারেন ‘পারফেক্ট’।

মিশুকে স্বভাবের, তবে প্রগলভ নয়
আপনার ড্রিম গার্ল কি বেশ মিশুকে স্বভাবের? আপনার পরিবার, বন্ধু কিংবা কাছের মানুষদের সাথে তার আচরণ যদি যথেষ্ট আন্তরিক হন, তাহলে তার সাথে সম্পর্কটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আপনার পক্ষে সহজ হবে। প্রেমিকা হিসেবে তিনি হতে পারেন একজন ‘পারফেক্ট’ প্রেমিকা।

নির্লোভ
অতিরিক্ত লোভী কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলাটা হবে একেবারেই বোকামি। আর তার কারণ হলো নানান রকমের বায়না মেটাতে মেটাতে একটা সময়ে হয়তো ক্লান্ত হয়ে যাবেন আপনি। তখন শুরু হবে মনোমালিন্য এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন।