Showing posts with label Science. Show all posts
Showing posts with label Science. Show all posts

Thursday, March 1, 2018

জেনে নিন পুত্র সন্তান লাভের দোয়া।

জেনে নিন পুত্র সন্তান লাভের দোয়া।

আল্লাহ প্রদত্ত দেওয়া নেয়ামতের মধ্যে সন্তান অন্যতম। সে হোক পুত্র সন্তান অথবা কন্যা সন্তান। তারপরেও অনেকেই আমরা সন্তান ছেলে অনেক মেয়ে সন্তান আশা করি। তবে অনেকেই সন্তান হিসেবে ছেলে সন্তানই চেয়ে থাকেন।

সেক্ষেত্রে যারা পুত্র সন্তান নিতে চান তাদের জন্য দেয়া হল হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর একটি দোয়া।

বৃদ্ধ বয়সে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করলেন সৎ পুত্র সন্তানের জন্য। আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করলেন। তাঁকে নেক পুত্র সন্তান দান করলেন। যা বিস্তারিত এসেছে সুরা সফফাতে।

আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুসলিমার জন্য হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পুত্রসন্তান লাভের এ আবেদনটি তুলে ধরেছেন। যাতে বান্দা এ দোয়ার মাধ্যমে তাঁর নিকট সন্তান কামনা করতে পারে। দোয়াটি তুলে ধরা হলো-উচ্চারণ : রাব্বি হাবলি মিনাস সালিহিন।’ (সুরা সাফফাত : আয়াত ১০০)

অর্থ : হে আমার লালন পালনকারী! আমাকে এক সৎপুত্র দান করুন।

আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুসলিমার জন্য হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পুত্রসন্তান লাভের এ আবেদনটি তুলে ধরেছেন। যাতে বান্দা এ দোয়ার মাধ্যমে তাঁর নিকট সন্তান কামনা করতে পারে। দোয়াটি তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : রাব্বি হাবলি মিনাস সালিহিন।’ (সুরা সাফফাত : আয়াত ১০০)

অর্থ : হে আমার লালন পালনকারী! আমাকে এক সৎপুত্র দান করুন।

Thursday, August 3, 2017

মৃত্যুর পর মানুষের  আত্মা কি দুনিয়াতে আসে?

মৃত্যুর পর মানুষের আত্মা কি দুনিয়াতে আসে?

প্রত্যেক মানুষকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। সবাইকে একদিন পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। কিন্তু মৃত্যুর পর কি আত্মা পৃথিবীতে কি আসে? এটা কতোটুকু সত্যে। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যা-

উত্তর : না, কোনো ব্যক্তির যখন মৃত্যু হয়ে যায়, এর অর্থ হচ্ছে দুনিয়ার সঙ্গে তার যে সম্পর্ক রয়েছে, সেটা আত্মিক সম্পর্ক হোক অথবা শারীরিক সম্পর্ক হোক, কোনো সম্পর্কই সেখানে আর অবশিষ্ট থাকে না। তাঁর আত্মার কোনো ধরণের আগমন, বহির্গমন, সংযোজন, অর্থাৎ যেকোনো ধরণের তৎপরতা অবশিষ্ট থাকে না।

সুতরাং আত্মা স্বাধীনভাবে যে ঘোরাফেরা করবে অথবা আসবে-যাবে, ব্যাপারটা এমন নয়। মৃত্যুর পরে মানুষ চলে যায় আল্লাহর বারজাখি জিন্দেগিতে এবং বারজাখি জিন্দেগি হচ্ছে এমন যে বারজাখের একটা অর্থই হচ্ছে, এখান থেকে আর কোনোভাবেই বের হওয়ার সুযোগ নেই। তাই বারজাখি জিন্দেগিতে যারা চলে গিয়েছে, তারা একটা আড়ালে চলে গিয়েছে। সম্পূর্ণরূপে আড়ালের একটা জিন্দেগিতে চলে গিয়েছে, দুনিয়ার জগতে তাদের আর আগমন হবে না। যেমনিভাবে তারা দুনিয়াতে আগমন করতে পারবে না, ঠিক তেমনিভাবে তারা আখিরাতের যে জিন্দেগি রয়েছে, পরবর্তী জীবন সে জীবনেও যেতে পারবে না। এখানেই তাঁদের অপেক্ষা করতে হবে।

কোরআনে কারিমের মধ্যে আল্লাহ সুবানাহুতায়ালা এরশাদ করেন, ‘এই বারজাখে তাদের অবস্থান করতে হবে, ওই পরবর্তী পুনরুত্থান পর্যন্ত, ওই দিবস পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে হবে।’ পুনরুত্থান পর্যন্ত সেখান থেকে তাদের কোনো ধরনের আগমন, বহির্গমন অথবা কোনো ধরনের তৎপরতা করার অধিকার তাদের থাকবে না। তাই এ ধারণা করার সুযোগ নেই বা আমাদের আকিদার মধ্যে, আমাদের যে চিন্তাধারার রয়েছে, যে বিশ্বাস আকিদার মধ্যে রয়েছে, এই আকিদার বিশ্বাসের মধ্যে কোনোভাবেই এ কথা শুদ্ধ নয় যে, মানুষের আত্মা পৃথিবীর মধ্যে আবার আগমন করে থাকে এবং আগমন করে বিভিন্ন মানুষকে সতর্ক করে থাকে। এটা ভিন্ন দর্শনের বা ভিন্ন চিন্তাধারায় রয়েছে। সুতরাং ইসলাম মূলত যেটা আমাদের শিক্ষা দিয়েছে যে মৃত্যুর পর মানুষগুলোর সব তৎপরতা সীমাবদ্ধ হয়ে যায় এবং তারা বারজাখি জিন্দেগিতে চলে যায়। এই বারজাখি জিন্দেগি কোন ধরনের, তার কোনো সুস্পষ্ট সংজ্ঞা বা পরিচিতি রাসূল (সা.)-এর কোনো হাদিসের মাধ্যমে আমাদের কাছে স্পষ্ট করা হয়নি।

মানবদেহের অজানা কিছু রহস্য!

মানবদেহের অজানা কিছু রহস্য!



মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তার মাঝে মানব দেহ সব চেয়ে জটিল একটি শরীর বৃত্তীয় সংগঠন। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান মানুষের শরীরের বিষয়ে অনেক তথ্য পেলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এখনো মানব দেহে অজানা রহস্য ঘেরা। আজ আমরা মানব দেহ সম্পর্কে কিছু তথ্য জানবো যা হয়ত অজানা ছিল আমাদের অনেকের কাছেই।

১. মানুষের দেহে তিন কোটি পঞ্চাশ লৰ নাড়ি আছে৷ এর মধ্যে বাহাত্তর হাজার নাড়ি একটু মোটা, এই বাহাত্তর হাজারের মধ্যে সাতশো নাড়ির গায়ে ছোট ছোট ছিদ্র আছে। আমরা যে খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করি তার রস এই ছিদ্র দিয়ে নাড়িগুলোর মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে দেহকে তাজা রাখে ও দেহের বৃদ্ধি ঘটায়৷

২. প্রতিদিন বিভিন্ন কারণে মানুষের দেহের কোষ নষ্ট হয়ে যায়৷ তবে সেগুলি আবার তৈরি হয়েও যায় কিন্তু মাথার বা মস্তিষ্ক কোষ একবার নষ্ট হলে সেটা আর পূরণ হয় না৷ পঁয়ত্রিশ বছর বয়সের পর প্রতিদিন মানুষের প্রায় এক হাজার মস্তিষ্ক কোষ নষ্ট হয়ে যায়৷ এর ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চিন্তা বা স্মরণশক্তি ধীরে ধীরে কমে যায়৷ তবে এর জন্য ভয়ের কোন কারণ নেই৷ মানুষের মাথার কোষের সংখ্যা প্রায় দশ হাজার কোটির মতো৷

৩. মানুষের মাথার চুলের বৃদ্ধি বেশ মজার৷ চব্বিশ ঘন্টায় মাথার চুল সমানভাবে বাড়ে না৷ একটা ছন্দ ধরে বাড়ে৷ রাতের বেলায় চুল খুব ধীরে বাড়ে৷ সকাল হবার পর থেকে এর গতি বাড়তে থাকে, আর বেলা ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাড়ে৷ দুপুরের দিকে চুল বাড়ার গতি কমে আসে, কিন্তু বিকাল ৪টা থেকে ৬টার মধ্যে আবার বাড়তে শুরম্ন করে৷ আবার সন্ধ্যার পর এর গতি কমতে থাকে৷

৪. মানুষের হৃত্পিন্ড কিন্তু খুবই কার্যকর৷ প্রতি মিনিটে এটি ৫-৬ মিটার রক্ত পাম্প করে দেহের বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দেয়৷ অর্থাত্ প্রতিদিন এই যন্ত্রটি আমাদের দেহে প্রায় আট হাজার মিটার রক্ত পাম্প করে৷

৫. আমাদের কিডনীর মধ্যে প্রতিদিন ১৮০ লিটার জলীয় পদার্থ প্রবেশ করে৷ সেটা থেকে শতকরা ৯৯ ভাগ পানিই পরিশোধিত হয়ে আবার মানুষের দেহে ব্যবহৃত হয়, আর মাত্র একভাগ পানি প্রসাবের আকারে বের হয়ে যায়৷ মানুষের শরীরে কিডনীর প্রয়োজন এ থেকেই বোঝা যায়৷

৬. আমাদের চোখের ওপর ভ্রুতে তে ৫০০ টি লোম আছে।

৭. আমাদের দেহের রক্তে একটি সমুদ্রের সম পরিমাণ লবন রয়েছে।