Showing posts with label Funny Jokes. Show all posts
Showing posts with label Funny Jokes. Show all posts

Monday, January 1, 2018

পিছন পকেটে মানিব্যাগ রাখলে কী হয় জানেন?

পিছন পকেটে মানিব্যাগ রাখলে কী হয় জানেন?

আপনি যখন বাড়ি থেকে অফিসে, কাজে বা ঘুরতে বের হোন, তখন আপনার মানিব্যাগ কোথায় থাকে? নিশ্চয় পিছন পকেটে রাখেন। আর এর ফলে আপনার কী হতে পারে জানেন? আপনি নিজের কত বড় ক্ষতি করছেন? জানলে নিশ্চয় অবাক হয়ে যাবেন।

সকলেই মানিব্যাগ প্যান্টের পিছন পকেটে রাখেন। আর এভাবেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন? জানেন কী, এ কারণে পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন আপনি।

মানিব্যাগে শুধুই কী টাকা থাকে? না। টাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজ, ভিজিটিং কার্ড, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, মেট্রোর স্মার্টকার্ড সবই থাকে। ফলে, মানিব্যাগ হয়ে যায় ভারী ও মোটাসোটা। পিক পকেটের ঝুঁকি তো থাকেই। সঙ্গে আরো মারাত্মক বিপদ। বিশেষজ্ঞরা এমনটাই বলছেন।

হিপ পকেটে পার্স রাখলে বিপদ কোথায়?

মার্কিন একটি গবেষণা উঠে এসেছে, মোটা মানিব্যাগ হিপ পকেটে রেখেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট করে। ঘাড়, পিঠ, যৌনাঙ্গের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, নিতম্বে খারাপ প্রভাব ফেলে। নীল দাঁড়ায় ক্রমাগত চাপ পড়ার ফলে তা ধীরে ধীরে বেঁকে যেতে পারে। এ কারণে পিঠ ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হয়। পেশি ও ডিস্ক এবং স্পাইনাল জয়েন্টের মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। পেলভিসের একাধিক নার্ভ অকেজো হতে থাকে। সায়াটিকা নার্ভের ওপর খুব চাপ পড়ে। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে সোজা হয়ে বসার ক্ষমতা হারিয়ে যেতে পারে। আর এর শেষ পরিণতি পক্ষাঘাত।

তাহলে উপায়?

বিশেষজ্ঞরা বলেন, মানিব্যাগ হিপ পকেটেই কেন রাখতে হবে? প্যান্টের ডান অথবা বাম পকেটে কিংবা স্কুল, কলেজ ও অফিস ব্যাগে মানিব্যাগ রাখতে বাধা কোথায়? আপনি যদি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পঙ্গু হতে না চান। তাহলে এখনই সাবধান হোন।

Thursday, December 28, 2017

ধাঁধাঁ, যদি উত্তর দিতে পারো তাহলে তুমি আমার কাছে একজন জ্ঞানী ব্যক্তি হবে ।

ধাঁধাঁ, যদি উত্তর দিতে পারো তাহলে তুমি আমার কাছে একজন জ্ঞানী ব্যক্তি হবে ।


প্রশ্ন :- যদি বলা হয় মিষ্টির দামের মধ্যে মিষ্টি বিক্রেতার নাম দেওয়া আছে । ধরা যাক, মিষ্টির দাম ৩১৮ টাকা ।তাহলে মিষ্টি বিক্রেতার নাম কি ???

ধাঁধাঁটির উত্তর হল- "নেত্র চন্দ্র বসু"। কারণ শতকিয়া পড়তে ৩ এর ছন্দ হল নেত্র, ১ এর ছন্দ চন্দ্র, আর ৮ এর ছন্দ হল বসু। সুতরাং তিনে মিলে নেত্র চন্দ্র বসু।

কারন ছোট বেলায় আমরা শতকিয়া ছন্দ পড়েছি

এক-এ চন্দ্র
দু-এ পক্ষ
তিন-এ নেত্র
চার-এ বেদ
পাঁচ-এ পঞ্চবাণ
ছয়-এ ঋতু
সাত-এ সমুদ্র
আট-এ অষ্টবসু
নয়-এ নবগ্রহ
দশ-এ দিক


সুতারাং ৩১৮= নেত্র+ চন্দ্র+ বসু= নেত্র চন্দ্র বসু।
খুব জটিল একটা সমাধান,সবাই সংগ্রহ করে রাখুন।

Wednesday, July 19, 2017

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহজ ৭টি কৌশল

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহজ ৭টি কৌশল



আপনি হয়তো খেয়াল করে দেখবেন কিছু লোক চমৎকার ভাবে মনে রাখতে পারছে কোন ঘটনা বা বিষয়বস্তুর পুঙ্খানুপুঙ্খ। আবার খুব সহজেই শিখে নিচ্ছে নতুন কিছু। আর আপনি মনে মনে আক্ষেপ করেন সেই লোকের মতো কেন আপনার স্মরণশক্তি নেই? তবে কি আপনার মেধা কম! না, আপনার মেধা অবশ্যই কম না। সকলে একভাবে মনে রাখতে পারে না। কারণ, সবার মস্তিষ্কের গঠন একরকম নয়। তবে কয়েকটি সহজ কৌশলে আপনিও বাড়িয়ে নিতে পারেন মেমোরি পাওয়ার।

১। ব্যায়াম করুন আর শরীরকে রাখুন সচল:
ব্যায়াম শুধু আপনার শরীরকেই সচল করে না, এটি আপনার মস্তিষ্ককেও সচল রাখে। স্থূলতা এবং অতিরিক্ত ওজন আপনার ব্রেইনের জন্যও ক্ষতিকর। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে কিংবা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সচল না থাকলে রক্তবাহী নালীগুলো চর্বি জমে। ফলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল ব্যহত হয়। মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবারাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মস্তিষ্কের কোষগুলোও। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, সচল রাখুন আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো।

২। মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন, বিষন্নতা দূর করুন:
রাগ, ক্ষোভ বা উদ্বেগ আপনার ব্রেনকে কিছু সময়ের জন্য স্থবির করে দেয়, যা আপনার স্মরণশক্তি কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। মানসিক চাপের মধ্যে বিষন্নতা সবচেয়ে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। বিষণ্ণতা আপনার মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে এবং রক্তে করটিসলের লেভেল বাড়িয়ে দেয়। করটিসেলের লেভেল বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়, বিশেষ করে হিপ্পোক্যাম্পাসের। যেখানে শর্টটার্ম মেমোরি সংরক্ষিত থাকে। তাই বিষণ্ণতা সহ সকল মানসিক চাপ যতদূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।

৩। পর্যাপ্ত ঘুমোন:
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ করতে থাকে। আর ঘুমকে বলা হয় মেমোরি চার্জার। ঘুমের সময় আপনার মেমোরি পরবর্তী স্মৃতি ধরার জন্য প্রস্তুত হয়। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।

৪। বিষয়গুলো লিখে রাখুন:
যে বিষয়গুলো স্মৃতিতে রাখতে চান তা লিখে ফেলার অভ্যাস করুন। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে। লেখার সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তপ্রবাহের পরিমান বাড়ে। তাই লিখে রাখুন ডায়রিতে, ইমেইলে বা ব্যক্তিগত ব্লগে।

৫। গান শুনুন:
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন- স্মৃতির সাথে গান শোনার কী সম্পর্ক? গবেষকরা দেখিয়েছেন কিছু সংগীত স্মৃতিশক্তি বাড়াতে উপকারি। ব্যাপারটা এই রকম: কোন ঘটনার সময় আপনি যদি কোন গান শুনেন তবে পুনরায় সেই গান শোনার সময় সেই ঘটনার আবহের স্মৃতি আপনার মস্তিষ্কে জেগে উঠবে।

৬। পুষ্টিকর খাবার খান:
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিটামিন যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাজা ফলমূল, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, গমের রুটি প্রভৃতি প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। পরিমান মতো বিশুদ্ধ পানি পান করুন। প্রচুর চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন। বিশেষ করে বাসি-দূষিত খাবার খাবেন না। ওগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ধূমপান ও মাদক সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর।

৭। অন্যকে শেখান:
নিজে যা শিখতে চাচ্ছেন। তা একবার শিখে নিয়ে অন্যকে শেখান। আরজনকে শেখাতে গিয়ে দেখবেন আপনার জানার ঘাটতিগুলো ধরতে পারছেন। আবার চর্চাও হবে আরেক জনকে শেখানোর মাধ্যমে। নতুন কিছু বিষয়ে আপনার কোন চিন্তা আরেকজনের সাথে শেয়ারও করতে পারেন। তাহলে আপনার স্মৃতিতে তা স্থায়ী হবে। লোকটাকে দেখা মাত্রই বিষয়টি আপনার স্মৃতিতে আসবে। চর্চা আর প্রচেষ্টার মাধ্যমে সব কিছু অর্জন সম্ভব। একটু চেষ্টা করলেই বাড়িয়ে নিতে পারেন স্মৃতিশক্তি, মনে রাখার ক্ষমতা। সুস্থ থাকুন।