Showing posts with label Health Tips. Show all posts
Showing posts with label Health Tips. Show all posts

Saturday, March 31, 2018

যেভাবে বুঝবেন গর্ভের সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে?

যেভাবে বুঝবেন গর্ভের সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে?

সন্তান গর্ভে আসার পর, শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজাদার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মা-বাবারও জানার আগ্রহের কমতি থাকে না। তবে ২০ সপ্তাহের আগে শিশুটির লিঙ্গ সম্পর্কে ডাক্তার জানাতে পারেন না। ২০ সপ্তাহ তো অনেক সময়, একটু চেষ্টা করলেই আগে থেকে কিছুটা অনুমান করা যায়।

অনেক মায়েরাই তাদের গর্ভের সন্তান সম্পর্কে আলট্রাসনগ্রাম করার আগেই জানতে পারেন। কিন্তু, কীভাবে তা সম্ভব হয়, আজ আপনারাও তা জেনে নিন-

১. কোন খাবারের প্রতি আপনার আকর্ষণ?

বেশীরভাগ মহিলা গর্ভাবস্থায় হরমোন ভারসাম্যহীনতায় ভোগে। যার ফলে তাদের মাঝে বিভিন্ন কিছু খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগে। আপনার ক্ষুধিত খাদ্য টাইপ আপনার গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করতে পারে। আপনার যদি মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার ইচ্ছা হয়, তাহলে সম্ভবত মেয়ে হবে আর যদি নিমকি এবং মসলাদার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা হয়, তাহলে ছেলে হতে পারে।

২. পেটে সমস্যা হচ্ছে কি?

সমীক্ষায় দেখা গেছে, যাদের গর্ভাবস্থায় সকালে হালকা বমি বা অন্য কোন সমস্যা হয়নি তাদের ছেলে হয়েছে। তবে, শিশুটি মেয়ে হলে পেটে ব্যথার সৃষ্টি হয় এবং সকালে শারীরিক অসুস্থতা বেশি বৃদ্ধি পায়।

৩. পেটের অবস্থান:

গর্ভাবস্থায় পেট বেশি ভারী মনে হলে, মেয়ে শিশু হবে। আর যদি ভার কম অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে। শিশুটি যদি পেটের ডানদিকে আছে বলে মনে হয়, তাহলে মেয়ে হবে। আর যদি সমস্ত পেট জুড়ে বা বামদিকে অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে।

৪. হার্টবিট রেট:

ডাক্তারের নিকট চেকআপের সময়, যখন ডাক্তার আপনার গর্ভস্থ শিশুর হৃদস্পন্দন পরীক্ষা করেন তখন লক্ষ্য রাখুন, হৃদস্পন্দনের রেট কত। হৃদস্পন্দন যদি 140 BPM এর বেশি অথবা সমান হয়, তাহলে শিশুটি মেয়ে। আর যদি হৃদস্পন্দনের রেট 140 BPM এর কম হয়, তাহলে গর্ভস্থ শিশুটি ছেলে হবে।

৫. ব্রেকআউট:

গর্ভাবস্থায় আপনার ত্বকে কি ব্রণ বা অন্য কোন সমস্যা হচ্ছে, যা আপনার সৌন্দর্য নষ্ট করছে? তাহলে অবশ্যই আপনার মেয়ে হবে। আগের দিনের মানুষ বলত, মেয়ে শিশুরা মায়ের সৌন্দর্য চুরি করে, তাই মায়ের চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। যদিও তা কুসংস্কার।

৬. রিং টেস্ট:

একটি আংটি নিয়ে সুতার সাথে বেঁধে নিন। তারপর আপনি শুয়ে আপনার পেটের উপর আংটিটি ঝুলিয়ে দিন। এবার আংটিটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করুন। যদি আংটিটি আপনার মাথা ও পায়ের দিকে সমান সমান দুলতে থাকে, তাহলে আপনার মেয়ে হবে। আর যদি রিংটি গোল গোল ঘুরতে থাকে তাহলে আপনার ছেলে হবে।

৭. শিশুদের উপদেশ নিন:

গর্ভাবস্থায় থাকা অবস্থায় অনেক আপনজনেরা পেটের সাথে কান লাগিয়ে শিশুটিকে অনুভব করতে চায়। অনেক ছোট ছোট শিশু আছে, যারা পেটের সাথে কান লাগিয়ে কথা বলতে চায়। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখুন, যদি কোন ছেলে শিশু আপনার পেটে কান লাগিয়ে বারবার শিশুটিকে অনুভব করতে চায়, তাহলে আপনার মেয়ে হবে। আর যদি কোন মেয়ে শিশু এ কাজটি করে, তাহলে আপনার ছেলে শিশু হবে।

এই বিষয়গুলো লক্ষ্য করলে আপনি ডাক্তার বলার আগেই বুঝতে পারবেন, কে আসছে আপনার জীবনে। তাহলে আগে থেকেই তার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

Thursday, February 22, 2018

হেঁচকি দূর করার সহজ উপায়! জেনে নিন কাজে লাগবে।

হেঁচকি দূর করার সহজ উপায়! জেনে নিন কাজে লাগবে।

ধরুন বেশ সুন্দর ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। হঠাৎ হেঁচকি উঠতে শুরু করল। কি বাজে ব্যাপার হবে বলুন তো। ইন্টারভিউ মুহূর্ত পুরাই মাটি। এটা মাঝে মাঝেই আমাদের সকলের সাথেই হয়ে থাকে। খুব বিরক্ত লাগে। হলে আর থামতেই চায় না। তবে এই বিরক্তিকর সমস্যারও সহজ সমাধান জেনে নিন এখনি-

১) হেঁচকি উঠলে একটু চিনি বা মিছরি চিবোতে থাকুন। চিনি বা মিছরি খেলে শরীরের একপ্রকার স্নায়ু উত্তেজিত হয়ে যায়। তখন ব্রেন শরীরের সেই অংশকে ঠিক করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে সেই সময় ব্রেন হেঁচকির কথা ভুলে যায়। তাই হেঁচকি কমে যায়।

২) ঠাণ্ডা জল বা বরফের টুকরোও চুষে চুষে খেতে পারেন। না হলে ঠাণ্ডা জল অল্প অল্প করে বার বার চুমুক দিয়ে খান। বার বার এই ঢোক গিলে এই ঠাণ্ডা জল খেলে,হেঁচকি কমে যাবে।

৩) মিষ্টির মত পাতিলেবুও কিন্তু হেঁচকি কমাতে সাহায্য করে। সেই সময় পাতি লেবু খান। দেখবেন আস্তে আস্তে হেঁচকি কমে যাবে। লেবুর টকের জন্য হেঁচকি কমে যাবে।

৪) ভিনেগার একটি ভালো জিনিস হেঁচকি ওঠা বন্ধের। হেঁচকির সমস্যা থেকে মুক্তি চাইলে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার মুখের ভেতর দিয়ে রাখুন। দেখবেন হেঁচকি উঠা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে মুখে গন্ধ হয় বলে এই কাজটি কেউ সহসা করতে চান না।

৫) শুনতে অদ্ভুত শোনালেও এটা কিন্তু বেশ কার্যকর। অনবরত হেঁচকি উঠলে জিহ্বা বের করে আঙ্গুল দিয়ে টেনে ধরে রাখুন কিছুক্ষণ। হেঁচকি থেমে যাবে নির্ঘাত।

Friday, December 22, 2017

প্রসাব চেপে রাখলে যে ভয়ানক ক্ষতি!

প্রসাব চেপে রাখলে যে ভয়ানক ক্ষতি!

আমরা বিভিন্ন সময় নানা কারণে প্রসাব চেপে রাখি। সাধারণত শীতের দিনে ঘনঘন প্রসাবের চাপ বেশি থাকে। প্রচণ্ড শীতে কম্বলের নিচে আরাম করার সময় প্রশাবের চাপ আসলেও অলসতার কারণে উঠতে মন চায় না। আবার কাজের ব্যস্ততা, রাস্তাঘাটে মানসম্মত শৌচালয়ের অভাব তো আছেই। তবে যে কারণেই হোক, প্রসাব চাপে রাখলেই বিপদ। আসুন জেনে নেই, প্রসাব চাপে রাখলে কি ধরনের সমস্যা হতে পারে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

১। প্রস্রাবে ইউরিয়া এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো টক্সিক পদার্থ থাকে। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে এই বিষাক্ত পদার্থগুলি কিডনিতে পৌঁছে কিডনি স্টোনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে ব্লাডারে জীবাণু জন্মাতে থাকে। যা থেকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন-এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৩। প্রস্রাব চেপে রাখার কারণে ব্লাডার ফুলে যেতে পারে। ফলে, প্রস্রাব করার সময়ে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করতে পারেন।

৪। বেশিক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখলে কিডনির উপরে চাপ পড়ে। এর ফলে কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৫। দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব না করার ফলে ব্লাডারের মাংসপেশিগুলি প্রসারিত হতে থাকে। যা থেকে ব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

Monday, December 4, 2017

এইডস আছে কিনা জেনে নিন!

এইডস আছে কিনা জেনে নিন!

স্বাস্থ্য ডেস্ক: দুর্ভাগ্য হলেও সত্যি যে এখন পর্যন্ত এইচআইভি/এইডসের কোন কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি আবিস্কার হয়নি এবং সেকারণে এই রোগে আক্রান্তের অর্থ শুধুমাত্র মৃত্যু। তাই এইডস প্রতিরোধের সবচাইতে ভালো উপায় হচ্ছে সচেতনতা এবং এই বিষয়ে সতর্ক থাকা। আমাদের কিছু ভুলের কারণে আমাদের দেহ আক্রান্ত হতে পারে এই মরণব্যাধিতে। তাই সচেতন থাকুন সবসময়।

অসুরক্ষিত যৌনজীবন, ওরাল সেক্স, আক্রান্তের রক্ত শরীরে যাওয়া, বাবা-মায়ের শরীর থেকে নবজাতকের শরীরে রক্ত বয়ে আসা, ইত্যাদি নানা কারণে এইডস হতে পারে।

এইডসের বিরুদ্ধে ধীরে ধীরে হলেও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে মানব সমাজ। অনুন্নত দেশগুলিতে যৌনতা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এই রোগের প্রকোপ আরও কমে আসবে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক এই রোগের লক্ষণগুলো:

সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ের লক্ষণগুলো
১) দেহে লালচে দানা উঠা
২) প্রচণ্ড মাথা ব্যথা
৩) জ্বর
৪) গলা ভাঙ্গা
৫) লিম্ফগ্রন্থি ফুলে উঠা

সংক্রমণ পরবর্তী পর্যায়ের লক্ষণগুলো
১) কোনো কারণ ছাড়া দ্রুত দেহের ওজন কমতে থাকা
২) জ্বরের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া
৩) কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হওয়া
৪) হাড়ের জয়েন্টগুলো ফুলে উঠা
৫) ডায়রিয়ায় আক্তান্ত হওয়া

সংক্রমণের শেষ পর্যায়ের লক্ষণগুলো
১) ৩ মাসের বেশি সময় ধরে হাড়ের জয়েন্টগুলো ফুলে থাকা
২) মুখ কিংবা জিহ্বা বাঁকা হয়ে যাওয়া। মাঝে মাঝে সাদা সাদা দাগ পরতে দেখা যায়।
৩) দৃষ্টিশক্তিতে সমস্যা শুরু হয়। সবকিছু অস্পষ্ট এবং বিকৃত দেখতে পাওয়া
৪) দীর্ঘদিন ধরে ডায়রিয়ার সমস্যা থেকে যাওয়া
৫) টানা ২-৩ সপ্তাহ বা এরচাইতে বেশি সময় ধরে অনেক বেশি জ্বর থাকা
৬) মাথা ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হওয়া
৭) শুকনো কাশি এবং শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া
৮) রাতের বেলা অনেক বেশি ঘাম হওয়া
৯) প্রচণ্ড দুর্বলতা বোধ করা

বড়দের ক্ষেত্রে যেসকল লক্ষণগুলো দেখা দেয় শিশুদের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন হয়ে থাকে
১) দৈহিক বৃদ্ধি স্বাভাবিক হারে না হওয়া
২) ওজন বৃদ্ধি না পাওয়া
৩) কানের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, টনসিল ইত্যাদিসহ নানা ছোটোখাটো সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করা
৪) হাঁটতে সমস্যা হওয়া
৫) বুদ্ধি ও মেধা বিকাশে দেরি হওয়া।

সূত্র: ইন্টারনেট