Monday, August 10, 2020
Saturday, March 21, 2020
প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সকলকেই দোয়া করার জন্য বললেন
![]() |
| https://akashbksf24.blogspot.com |
কেমন করে নিজেকে ও অন্যদের বাঁচাবেন এই ভাইরাসের প্রকোপ থেকে,,,
Thursday, February 27, 2020
প্রয়োজনে মুসলমানদের জন্য জীবন দিবো,,হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই.
Sunday, August 11, 2019
Friday, June 28, 2019
একটি ভালবাসা ও প্রতারণার গল্প
সত্য কাহিনী অবলম্বনে একটি সম্পূর্ণ গল্প ।
পড়ে হয়তো আপনাদের বিবেক এ
নাড়া দিতে পারে…… গল্পটা একটু বড়
এড়িয়ে যাবেন না …..
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ফেসবুক থেকে লগ আউট করার সময় হঠাত
জান্নাতুল
নামের একটি মেয়ের
আইডি দেখতে পায় আকাশ। মিচুয়াল ফ্রেন্ড
অনেক ।আকাশ এত মিচুয়াল ফ্রেন্ড
দেখে জান্নাতুল কে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
পাঠালো।এমনিতে আকাশ খুব খুব দ্রুত
মিলতে পারে। ফেসবুক আইডি খোলার পর থেকে অনেক
অচেনা মানুষকে আপন করে নিয়েছে।
বাড়িয়েছে বন্ধত্বের হাত । অনেক
মেয়ের সাথেই তার
খোলামেলা বন্ধুত্ব । ভার্চুয়াল জগতের
এসব বন্ধুত্ব আকাশ খুব উপভোগ ও করে। এদের
মধ্যে দু একজন তার সত্যিকার ভাল বন্ধু
হিসেবেও জীবনে আবির্ভূত হয়।
দুই –তিন দিন পর জান্নাতুল হাই আকাশের রিকুয়েস্ট গ্রহন
করে । এরপর স্বভাবতই জান্নাতুল হাই আকাশ কে চ্যাট
মেসেজ দেয়।জান্নাতুল হাইও প্রতিত্তর দেয়।
শুরুটা এইভাবে । এইভাবে প্রতিনিয়তই
চলতে থাকে আকাশ আর জান্নাতুল হাই চ্যাটইন ।
জান্নাতুল হাই আগ্রহ দেখে আকাশ জান্নাতুল হাইকে তার ভাল বন্ধু
বানাতে উৎসাহ প্রকাশ করে । এরপর দিন
যায় ,সপ্তাহ যায় শুধুই ফেসবুক
চ্যাটইন ,দুজনের মধ্যে একটা ভাল বন্ধুত্ব
গড়ে উথে।পারিবারিক,বাক্তিগত
অনেক কথাই তারা শেয়ার করে।
তবে এর মাঝে সাহস করে জান্নাতুল হাই এর
কাছে মোবাইল নাম্বার চায়।জান্নাতুল হাই কোন
রকম তাল-বাহানা ছাড়াই নাম্বার
দিয়ে দেয়।এর পর মোবাইলেও তাদের
চ্যাটইন,টকইন হত। আকাশ রাত
জেগে পড়াশুনা করত আর সেই
সাথে ফেসবুক আথবা মোবাইলে জান্নাতুল হাই এর
সাথে চ্যাটইন করত ।জান্নাতুল হাই এর তেমন রাত
জাগার অভ্যাস ছিল না, তাই
মাঝে মাঝে সে ঘুমিয়ে পরতো। আর
তখুনি আকাশ মোবাইলে কল
দিয়ে জান্নাতুল হাই কে উঠিয়ে চ্যাটইন করতে বলত।
খুব সহজ আর সাবলীল ভাবে দুজনের
মাঝে বন্ধুত্ব হয়,জানতে জানতে এক সময়
শুভ্র জানতে পারে জান্নাতুল হাই পরিবার অনেক
উচ্চ শিক্ষিত হলেও তাদের
পরিবারে শান্তি ছিল না।তার মামা আর নানী
ও বড় বোন সব
সময় ঝামেলা বাধিয়ে রাখতো।
জান্নাতুল হাই কে অকারণেই বকাঝকা করতো।
একারণে জান্নাতুল হাই মন বেশিরভাগ সময়ই
খারাপ থাকতো,আর তখন আকাশ তার মন
ভালো করার আপ্রান
চেষ্টা করতো এবং করত ও ।
জান্নাতুল হাই গাইবান্দা স্কুল
থেকে ২০১৭ সালে এস এস সি পাশ করে।
আকাশ ঢাকায় পড়াশুনা করে ।তারপর জান্নাতুল হাই আকাশের পিকছার চায় , আকাশ পিকছার দেয় ”এবং জান্নাতুল হাই পিক দেখার পর আকাশ কে প্রপোজ করে ।
আই লাভ ইউ বলে। আকাশ তো ‘থ’ মেরে যায়।
জান্নতুল কে আকাশ শুধু ভাল বন্ধু হিসেবেই
দেখতো । আকাশ
রিলেশন করতে চায় না,সবার
সাথে বন্ধুত্বটাই সে উপভোগ করে আবার
সমবয়সী কারও সাথেও তো রিলেশন
করবে না বলেই তার পণ । এভাবেই
চলতে লাগলো আর জান্নতুল হাই
চাপাচাপি বাড়তে লাগলো । সে শুধু
দেখা করতে চাইছে । শেষমেষ আকাশ
দেখা করার জন্য রাজি হল । আকাশ শুধু
ভাল বন্ধু হয়ে থাকার অনুরোধ জানায় ।
কিন্তু বাড়াবাড়ি
করতে থাকে । ঘুমের ঔষধ ,ইন্সুলিন
ইত্যাদি খাবে বলে হুমকি দেয় । আকাশ বলে ঠিক আছে,তুমি আমার ধোকাবাজি করবে না তো।
জান্নাতুল হাই বলে না । এভাবেই
চলতে লাগলো ।একদিন জান্নাতুল হাই বলে তার ইমুতে কে যেন ও গুরুপ খুলছে পরে আকাশ ঠিক করতে গিয়ে অনেক চ্যাট দেখে,কিন্তু কিছু বলল না। আকাশ ভাল একটা বন্ধু
হারানোর ভয়ে বার বার
জান্নাতুল হাই কে ক্ষমা করে দেয় ।
কিন্তু বাস্তব সত্যটা একটু অন্যরকমই ছিল ।
আকাশ তখন টা জানত না ।
জানলে হয়তো অনেক আগেই ফ্রেন্ডশিপ
ব্রেক করতো । যাই হোক সেসব কথায় পরে আসা যাক।
আকাশ জান্নাতুল হাই ফোন এবং ইমু ব্যস্ত পায়।
তাকে জিজ্ঞাগাসা করলে সে মিথ্যা কথা বলত।
পরে সে আকাশের ফোন ধরত না ,এবং বলত আমার সাথে আমার মামাতো বোন থাকে।
তাই তোমার ফোন ধরিনি,কিন্তু সে অন্য কারো সাথে সময় দিত।
, , আকাশ
পরে যা নিশ্চিত
ভাবে জানতে পারে ।জান্নাতুল হাই এক প্রকার
লোভী, সার্থপর আর
সর্বশেষে চরিত্রহীনা ছিল । আকাশের
সাথে কথা বলার সময় সে অন্য
ছেলেদের সাথে rltn রেখেছে ।
পরে জান্নাতুল স্বীকার করেছে ।এমন
কি বয়সে ছোট ছেলের সাথে ও সে rltn
করেছে ।তাদের কাছ থেকে ও জান্নাতুল
টাকা দার নিতো কিন্তু ফেরত
দিতো না ।তবে সে সব
চেয়ে বেশি ব্যবহার আকাশকেই করেছে ।
আকাশ কে বিয়ে করতে চাইত সে। আকাশ কে নিজের
করে রাখা ,সাথে অন্য ছেলে দের
সাতঝে টাইম পাস ,আকাশ কে তার বয়
ফ্রেন্ড বানিয়ে সবার
কাছে বলতে লাগল। জান্নতুল হঠাৎ করে আকাশের সাথে কথা বন্ধ করে দেয়।
তার কিছু দিন পর তার ইমুতে কে যেন একটা গুরুপ খোলে।
, জান্নাতুল
সরাসরি আকাশের উপর দোষ চাপায় । কিন্তু জান্নাতুল তো আকাশ বল্ক করে রাখছে।
সে কি ভাবে গুরুপ খুলবেেআকাশ এসবের
কিছুই জানত না ।জান্নাতুলের মিথ্যে কথায় আকাশ বেশি কষ্ট পায় ।
আকাশ হারাতে লাগল তার আত্নসম্মান।একটা
চরিত্রহীনার মিথ্যে কথায় ।
জান্নাতুল আকাশের সাথে কথা বলার পর অন্য একটি ছেলের সাথে rltn করে ।
এখন ও চলছে ছেলেটি একটি এপেক্স অফিসে চাকুরী করে।
এর সাথে বেশ
খুলাখুলি রিলেশন এ গিয়েছে বলে আকাশ
শুনেছে । তারা ঘুরতে যায় এটা আকাশের
বন্ধুরা দেখেছে । হয়তো কিছু দিন পর
একে ও ব্যবহার করা শেষ
হয়ে যাবে ।তাদের কথা আর নাই
বা বললাম ।হায়রে মানুষ !!!
মানুষ নিজের স্বার্থের জন্য কত
কি করতে পারে । নিজের চরিত্র
বিসর্জন ও ?? অবশ্য এই সব মেয়েদের
মধ্যে চরিত্র বলতে কিছু ছিল
বলে মনে হয় না ।তারা জন্মায় ই
নিজেদের পিচাশ
বা চরিত্রহীনা হিসেবে পরিচিতি পাবার
জন্য । আর বন্ধুত্বের মত পবিত্র
সম্পর্ককে কালিমা লেপনের জন্য ।যখন
বন্ধুকে (!) ব্যবহার শেষ হয় তখন তাকে সবার
কাছে খারাপ
বানিয়ে নাচতে নাচতে নতুন
ব্যবহারযোগ্য বন্ধু বানায় ।
ভাবতে পারেন এমন বন্ধুত্বের কথা ??
একবার ভাবুন তো এমনটা আপনার
সাথে ঘটলে কি হত ??? নিজেকে আকাশ
জায়গায় কল্পনা করুন তো ……???
দেখুন তো জান্নাতুল কে মানুষ মনে হয়
কি না???? কি মনে হয়………………………. ????????
আপনাদের কেমন লাগলো কমেন্ট
করে জানান , জান্নাতুলদের মত কোন
মেয়েরা যেন আকাশের মত আর কোন
ছেলে কে ব্যবহার করতে না পারে সেই
জন্য শেয়ার করুন★★
Friday, June 7, 2019
How to change browser download settings for PDF files
By default, most downloaded PDF files open within the Internet browser currently in use, usually in a new window or tab. This document contains steps on how to change the associations within your browser's settings to allow downloaded PDF files to open in the program of your choice or within the browser. To proceed, select your browser from the list below and follow the instructions.
Microsoft Edge users
Because Microsoft Edge is integrated into Windows 10, you'll need to go into the Windows settings to change the default PDF file viewer.
- Press the Windows key on your keyboard, type Default Programs, and then press Enter.
- In the Settings window, in the section to the right, scroll down click Choose default apps by file type.
- Scroll down until you see the entry for the .pdf file extension, and then click the box to the right of it.
- In the menu that appears, select the program you want to use to view PDFs.
Internet Explorer users
- Open Internet Explorer.
- Click the Internet Explorer Tools
button and select Manage add-ons. - Under the Toolbars and Extensions option, click on the Show drop-down list and select Run without permissions.
- In the displayed list of add-ons and extensions, find Adobe PDF Reader.
- Select the extension and click the Disable button in the bottom right of the Manage Add-ons window.
- Next time you download and open a PDF file, your default program will be used instead of Adobe PDF Viewer.
Google Chrome users
By default, Google Chrome should open a PDF in the browser and not save the PDF in the download folder to be opened by a PDF editor such as Adobe Reader. To change how Google Chrome treats PDF files in the browser follow the steps below.
- Open Google Chrome.
- Click on the Menu icon (
) in the top-right corner of the Window. - Click Settings.
- Scroll down to the bottom of the Settings window and click Advanced.
- In the Privacy and security section, click Content Settings.
- Scroll down and click the PDF documents option.
- Change the "Download PDF files instead of automatically opening them in Chrome" option from the on position (blue) to the off position (grey).
- Close the Settings tab and now any PDF should be opened in Chrome instead of being downloaded.
Tip: If you do want PDFs to be downloaded instead of opened in Chrome, you can follow these steps and turn on the "Download PDF files instead of automatically opening them in Chrome" option.
To enable the ability for Chrome to open and display PDF files in the Chrome browser window, follow the steps above and in step 5, uncheck the box for the Open PDF files in the default PDF viewer application option.
Mozilla Firefox users
- Open Mozilla Firefox.
- Click the menu
button and select Options. - Within the Options window, click Applications
- Under the Content Type column, select the Portable Document Format (PDF) option.
- In the Action column, click the down arrow on the right-hand side of the box.
- In the drop-down menu that appears, select your new default PDF reading program.
Opera users
Once you've set your default PDF viewer program in Windows (see Microsoft Edge section) or a different browser, the following steps will "activate" it in Opera.
- Open the Opera Internet browser.
- Click the Opera menu
button in the upper left corner. - Select Settings from the drop-down menu that appears.
- Under the Basic menu, locate the PDF Documents section at the bottom of the window.
- Check the box next to Open PDF files in the default PDF viewer application.
Note: If you do not see the PDF Documents or the Open PDF files in the default PDF viewer application option, type pdf in the Search settings text box at the top of the Settings page. In the Open PDF files option check or uncheck the box.
প্রতিদিন আমারে ফোন দিবা.ঠিক মত খাবা.আর...

- প্রতিদিন আমারে ফোন দিবা...ঠিক
মত খাবা...আর
শহরের যে সুন্দর সুন্দর মাইয়ারা আছে
ওদের
দেইখা আমারে একদম ভুইলা যাইবা না
কও?
- তোমারে কেমনে ভুলব? নিজের
থেইকা বড়
বেশি ভালবাসি তোমারে।
- আমি শুনছি সব পোলারা এমনে কথা
কয়।কিন্তু ওরা
কথা রাখে না।তুমি কিন্তু ওদের মত
না।কথা রাখবা
কিন্তু....
এতটুকুর পর আর কথা বের হল না শশীর।
কান্নায়
ভেঙে পড়ল।আজ তার প্রহর চলে যাচ্ছে
তাকে
ছেড়ে।বাসও এসে গেছে।এক হাতে
ওড়না
দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছে।
- এবার যাইতে দাও।সময় হয়ে গেছে।আর
এমনে
যদি কান্দো আমি যাইতে পারব না...
- আচ্ছা যাও...
আর শোন...এইডা নিয়ে যাও।
- কি এইডা?
- এর ভেতর কিছু টাকা আছে।আব্বাজান
স্কুলে
যাওয়ার সময় দিত আগে।সেইডা এক
মাটির ব্যাংকে
জমাইছিলাম।আইজ ভাংছি তোমার
লাইগা।
- এইডা কেন করলা শশী? আমি তো
কিছুই দিতে
পারিনাই তোমারে।
- কে কইছে কিছুই দাও না।এই যে
আমারে এত
ভালবাস আমারে।এর থেইকা বেশি
কিচ্ছু চাইনা আমি।
এবার ছেলেটা নিজের অজান্তেই
কেঁদে
ফেললো। শশীর হাত ধরে বলল...
- আজীবন আমার পাশে থাকবা এমনে
কইরা।
গেলাম.....
কিছুক্ষণ পর বাস থেকে আবার নেমে এল
ছেলেটি।মেয়েটি তখনো মূর্তির মত
দাড়িয়ে
রয়েছে।
- কি হইছে নামলে কেন?
- একটা কথা কইতাম....
- কি কও?
- তোমারে যে একটা কবুতরের বাচ্চা
দিছিলাম না?
ওইটার কিন্তু খুব যত্ন নিবা।ওর মা টা
মইরা গেছে আমার
মা মরনের কয়দিন পরেই।আমিই ওর সব
ছিলাম এতদিন।
আজ আমিও চইলা যাচ্ছি.....
- তুমি এত চিন্তা কেন করতেছ? আমি
আছি না? তুমি
যতদিন না আইবা,আমি মনে করব ওই
আমার প্রহর.......
;
ব্যস্ততম শহরে প্রথম দিন পা রেখেই
মায়ের
রেখে যাওয়া ফোনটা হারাতে হল
প্রহরকে।যার
সাথে শেষ হল শশীর সাথে
যোগাযোগের
এক মাত্র মাধ্যম।অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে
খুজে
পেতে হল তার ক্যাম্পাস হোস্টেল।
এখানে
কেউ কারো সহযোগীতা করার জন্য
বসে
থাকে না।এখানে কেউ শশী নয়।কয়েক
মাস
কিভাবে যেন কেটে গেল।টাকা যা
ছিল সেটা
শেষ।রুমমেট এর থেকে ধার দেনা করে
চলল
আরো কিছুদিন।কিন্তু ক দিন বা
এভাবে? ওদের
কাছে এখন ধার চাইতেও লজ্জা বোধ হয়
তার।হঠাৎ
শশীর দেয়া পুটলি টার কথা মনে পড়ে
গেল
প্রহরের।ওটা ব্যাগ থেকে বের করে
দেখল
কয়েক টা একশ টাকা,পঞ্চাশ, বিশ,দশ.....
মেয়েটাকে খুব বেশি মনে পড়ল তার।
কত দিন
গেল কথাও হল না।অথচ কলেজ ফাকি
দিয়ে বিলের
ভেতর এক সাথে কত পথ চলা তাদের.....
এসব ভেবে কখন যে কেঁদে ফেললো.....
একটু পরেই এক রুমমেট এসে টাকা
চাইলো।
ধারের টাকা, চাইবে এটাই
স্বাভাবিক। হাতের টাকা গুলার
দিকে চেয়ে রইলো প্রহর।খুব মায়া
লাগছে
কাউকে দিতে মন চাইছে না তার।এটা
যে তার শশী
একটু একটু করে জমিয়েছে.......
অবশেষে দেনা মুক্ত হল প্রহর।কিন্তু শশীর
শেষ সম্পদ টুকু আর থাকলো না।
;
এভাবে সাগরে ভাসার চেয়ে নিজ
গ্রামে গিয়ে
জমিতে হাল ধরা আর শশীর হাতের
মাখা ভাতেই সুখ
মনে হল প্রহরের কাছে।পড়ালেখা কি
সবার জন্য
হয় নাকি? যার মা বাবা কেউ নেই
তার আবার কিসের
পড়ালেখা।কিছু টাকা হলে গ্রামে
চলে যাবে স্থির
করল প্রহর।কিন্তু এই কটা টাকাই বা কে
দেবে
তাকে! বন্ধুদের অনেক কেই বলল। কিন্তু
অতটা
কাছের বন্ধু কেউ নেই তার।শহুরে
কালচারের
সাথে ঠিক মিশতে পারেনি
ছেলেটা।আর তাই আজ
কেউ নেই তার পাশে।রাতের বেলা
বের হয়ে
গেল ব্যাগ ঘাড়ে করে।বাসে চড়ার
টাকা নেই ঠিকিই,
তবে বাসের ছাদে চড়ার মত শক্তি তো
আছে!চুরি
করে বাসের ছাদে চড়ে বসলো প্রহর।
কিন্তু
ছাদে সে একা না।বেশ কয়েকজন
শ্রমিক আছে
উপরে।ঝুড়ি,কোদাল
যায় এরা
কোথাও কাজের জন্য যাচ্ছে।নিজের
কাপড়ের
দিকে তাকিয়ে দেখে কাপড় গুলা
ওদের মত না
হলেও খুব ভাল না।ওদের মাঝে
নিজেকে সপে
দিল।এভাবে লুকোচুরি করে ভোরে
নিজ গায়ে
পৌঁছে গেল প্রহর।
প্রচন্ড খুদায় পেট চো চো করছে।গত
দুপুরে
খাওয়া হইছিল।সব কিছু আগের মতই আছে।
নয় মাসে
কি বা আর বদলাবে? শশীর কথা মনে
হতেই ক্ষুদা
ভুলে গেল প্রহর।ছুটলো শশীর সাথে
দেখা
করতে.....
শশীর বাড়িটা ফাকা পড়ে আছে, কেউ
নেই
বাড়িতে।ডাকাডাকি
না।দরজা ঠেলে
ভেতরে দেখে বিছানায় পড়ে আছে
শশীর বড়
বোন।কথা বলতে পারছেনা।চোখ
মেলে
দেখছে সব।প্যারালাইজড.
স্তব্ধীভূত হয়ে কিছুক্ষন দাড়িয়ে রইলো
প্রহর।
বাড়ির পেছন থেকে ক্রাচে ভর করে
এগিয়ে
এল শশীর মা।বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে
ছেলেটা।এই
ক দিনে এত কিছু কিভাবে হয়ে গেল!
- চাচী কি হইছে এসব কি?
- বাপ তুই না পড়তে গেছি শহরে? আইলি
কবে?
- আমার কথা বাদ দাও।আমি কি
দেখতাছি এসব?
একটু তাচ্ছিল্ল্যের হাসি দিয়ে
বললো।...
- আল্লাই কপালে যা লিখছে তাই
হইছে বাজান।কি আর
কই তোরে।বয় তর লাইগা মুড়ি
আনি,খায়া যাইস....
- লাগব না চাচী। শশি কই?
- মায়া ডা ওহনো আয়নাই মনে হয়...
- মানে কই গেছে ও ?
- কিছু কওনের ভাষা নাই বাপ।মাইয়ার
লগে খুব বড়
অন্যায় করছি রে...
- কি করছ কইবা তো?
হু হু করে কেঁদে উঠলো মহিলা।কন্ঠস্বর
কেঁপে যাচ্ছে কথার তালে।
- চাচী কান্দো কেন? কি হইছে কও
আমারে.....
মহিলার অবস্থা আর চোখ দেখে
নিজেকে শক্ত
করার চেষ্টা করছে প্রহর।খারাপ কিছু
হয়েছে
সেটা বোঝার বাকি নেই।ঘামতে শুরু
করেছে
ছেলেটা।
- চাচী চুপ কইরা আছো কেন??? কও না.....
- শশীর বাপে ওর বিয়া দিছিলো জোর
কইরা।মাইয়া
আমার বিয়া করতে চাই নাই।শুধু চোখ
ভিজাইত।কেউ
ওর কথা শুনি নাই...
দু দাতের মাঝে ঠোট নিস্পেশিত
হচ্ছিল প্রহরের।
কথা গুলা কেমন হাওয়ায় ভাসছে।কান
গুলা কিছু শুনতে
চাচ্ছে না।মস্তিষ্ক যেন কিছু বুঝতে
চাইনা।
- চাচী কি কইতাছ এসব?
- পোড়া কপালি মাইয়া আমার।
কপালে সুখ জুটলো না।
জামাই যৌতুক যৌতুক করে যা ছিল সব
নিছে।তিন মাসের
মাথায় মাইয়া বাড়ি দিয়া গেছে.....
উদ্ভ্রান্তের মত ফিরে চলল ছেলেটা।
আস্তিত্ব
বলে কিছু খুজে পাচ্ছে না সে।সব কিছুই
শুন্য তার।
এক মাত্র আপন বলতে যে ছিল সেও পর
এখন!
নিজের বাড়িটা ফাকা পড়ে আছে।
নোংরা পরিবেশের
কারখানা সেটা এখন।মালিকের
অনুপস্থিতি তার কারণ।
দরজার সামনে পায়রার খাচাটা ঝুলে
আছে এখনো।
টিনের চাল কয়েক জাইগা ফুটা হয়ে
আছে।ময়লার
ভেতরেই ব্যাগ রেখে বসে পড়লো
পাশে...
সন্ধ্যা হয়েছে অনেক আগেই।চারদিক
আধার
নেমে আসার পায়তারা।এদের সাথে
পাল্লা দিতেই
যেন এক ফালি চাঁদ হেসে উঠল
পূর্বাকাশে।ঝিঝি
পোকার কান ঝালা পালা আওয়াজ।
বারান্দার এক
জাইগাতেই বসে আছে প্রহর।নেই কোন
ব্যস্ততা।চারিদি
গলা শুকিয়ে কাঠ।
উঠানের কলে অনেক চেষ্টা করেও
পানি তোলা
গেল না।ক্ষুদা আবার নেড়েচেড়ে বসল
যেন...
চেনা রাস্তাটা আজ বড্ড অচেনা
লাগছে তার।মনে
হচ্ছে কত দুর পথ শশীর বাড়ির।হ্যাঁ আবার
এসেছে....
বারান্দায় হারিকেনের আলো
টিপটিপ করে
জ্বলছে।একটা নারী মূর্তি বসে আছে
সামনে
গিয়ে দাড়িয়েছে প্রহর।হঠাৎ কারো
উপস্থিতিতেও
বিন্দু মাত্র বিচলিত হল না শশী। যেন
তার জান্যই
অপেক্ষা করছিল সে।
চোখের দিকে তাকিয়ে আছে দুজনেই।
একটু
কেপে উঠলো শশী।বিন্দু বিন্দু ঘাম
জমেছে
প্রহরের।
খুব দুর থেকে বলা হলে যেমন লাগে
তেমনই
শোনা গেল শশীর প্রশ্ন টা...
- ভাল আছ প্রহর?
- আমার কোন দোষ ছিল না....(প্রথম
দিনের
ফোন হারানো থেকে সব বলল প্রহর।)
চুপ আছ কেন শশী? কিছু কও?
- কওনের সব শেষ। চইলা যাও।আর আইসো
না...
- আমার পায়রা টারে দেখিনা।কই
রাখছো?
- বিয়ার দিন ওরে মুক্তি দিছি সেই
সাথে তোমারেও।
- অচেনা শহর আমারে ঠাই দেই নাই।
তুমিও আমারে
ফালাই দিবা?
- তোমারে দেওয়ার কিছুই নাই
আমার.....
- কিছু নাই? তাইলে আমার জন্য কান্দো
কেন? এই
যে চোখের পানি ঝরতেছে এইডা কি?
- এইডা অবুঝ তো তাই ঝরতাছে।তুমি
যাও...! ভুইলা যাও
পারলে.....
অন্ধকার পথে ফিরে চলল ছেলেটা।
হাত দিয়ে
বারবার চোখ মুচছে।জানে পিছে কেউ
আসবে
না আজ।তবুও কিসের আশায় বারবার
পিছু ফিরে
দেখে সে।
মাঝ পথে আবার দাড়িয়ে পড়ল।ঘুরে
চলল আবার....
মেয়েটা এখনো সেখানেই বসে আছে।
উঠানের এ প্রান্ত থেকে বোঝা যায়
মাথা নিচু করে
কাঁদছে সে।
- শশী?
- হু...আবার কি?
- না না ভালবাসি কইতে আসি নাই।
- কি কইবা?
চোখের পানি দু হাত দিয়ে ভাল করে
মুছে
নিয়েছে।হাসি হাসি মুখ করে বলল...
- কিছু খাইতে দিবা? বড্ড খিদা
পাইছে।কাল দুপুরে
খাইছিলাম.....
শশী খুব ভাল করেই জানে চেহারার এই
ভাব টা
প্রহরের কৃত্তিমতা।তবে যেটা বলছে
সেটা সত্য।
মায়ের কাছে প্রহর এসেছে খবর শুনে
তাকে
একনজর দেখার জন্য অস্থির হয়ে ছিল
সে।কিন্তু
আর জন যে দেহ নিয়ে খেলা করছে
তার
প্রহরের কাছে কিভাবে যাবে সে
দেহ নিয়ে।
বারবার এটাই ভেবেছে।অন্যের বাড়ি
কাজ করে মা
বোন কে দেখতে হয় তার।কিভাবে সে
এত কিছু
চিন্তা করবে ? একটা এক্সিডেন্ট সব
শেষ করে
দিয়ে গেল।বাপটাকে নিয়ে গেল
চীরতরে,মা
আর বোন হারিয়েছে স্বাভাবিক
জীবন।
নিজের জন্য রাখা খাবারটা নিয়ে
এল প্রহরের জন্য।
বারান্দায় বসে খাবারে হাত
বাড়িয়েছে প্রহর।কি মনে
করে থেমে গেল আবার।
- এক দিন টিফিন পালায় আমার জন্য
খাবার নিয়ে
আইছিলা,নিজ হাতে আমারে
খাওয়ায় দিছো।আজ
একবার দিবা শশী? আর কোন দিন
চাইতে আসব
না.....
একটু শব্দ করেই কেঁদে উঠলো মেয়েটা।
সাথে সাথে মুখ চাপা দিল।কিছুক্ষন পর
হাত ধুয়ে ভাত
মেখে প্রহরের মুখের সামনে ধরল।
একবার,দু
বার.....
এরপর পানি খেয়ে উঠে পড়ল।খাওয়ার
সময় কিভাবে
কান্না করবে।গলা চোখ এমনিতেই
ব্যাথা করছে।
ভাত যেন নিচে নামে না....
প্রহর চলে যেতে আনমনে বলে উঠলো
শশী সেদিন আমার সাথে তুমিও
আমারে খাইয়ে
দিছিলা প্রহর.....
;
দু দিন পর...
কাক ডাকা ভোরে ঘুম থেকে উঠে পড়ল
প্রহর।
আকাশে মেঘের ভেলার অবাধ বিচরণ।
সেই সাথে
দমকা বাতাস। চোখেমুখে পানি
ছিটিয়ে বেরিয়ে
পড়েছে।কাঁধে চাপা একটা ব্যাগ।
কাপড়চোপড় ছাড়া
তেমন কিছুই নেই।উঠানের মাঝে
দাড়িয়ে দেখে
নিয়েছে বাড়িটা আর একবার।বুকের
ভেতর টা হুহু
করে উঠছে।কিছুক্ষন পরেই চলে এল
গন্তব্যে.....
ব্যাগের ভেতর থেকে একটা কাগজের
প্যাকেট
বের করে রেখে দিল দরজার সামনে।সব
কাজ
শেষ। এবার মুক্ত মনে চললো অজানার
উদ্দেশ্যে।
;
চারদিকে পাখির কলরবে জেগে
উঠেছে সকাল।
জেগেছে শশী....
কাজের সময় হয়েছে।বেরিয়ে পড়তে
হবে
এখনি।দরজায় প্যাকেট টা দেখে কিছু
সময় থমকে
রইলো শশী।কিছুক্ষন ভেবে খুলে
ফেললো
প্যাকেট টা।প্রথমেই চার ভাজ করা
একটা চিঠি বের
হল সেখান থেকে...
প্রিয় শশী...
সম্বোধন কি দিয়া করা উচিৎ
জানিনা।প্রিয় কইলাম এই
জন্য যে এখনো তোমারে প্রিয় মানুষই
ভাবি।বুক
ভরা আশা নিয়ে আইছিলাম তোমার
কাছে।অচেনা
শহর আমারে জাইগা দেয় নাই।
ভাবছিলাম গ্রামেই
তোমার সাথে একটা ছোট্ট সংসার
করি,হইলো না
তা...।
এই দুইটা দিন আমি কেমনে থাকছি
কইতে পারব না।
বুকের ভেতর টা একদিন যদি দেখাইতে
পারতাম
তোমারে ! চোখের সামনে তোমার
কষ্টটা ও
দেখতে পারিনা।তাই ঠিক করছি ওই
অচেনা শহরের
কাছেই নিজেরে বিলাই দিই।মা
বাপে যে জমিটুকু
আমার জন্য রাইখা গেছিলো সেইডা
বেচতে
গেছিলাম।মন তাতে সাড়া দিল না।
তোমার নামে
লেইখা দিলাম। প্যাকেটের ভিতর
দলিল আছে।আশা
ছিল তোমারে নিয়া থাকি ওইখানে।
সবার আশা তো
আর পুরন হয়না।তাই আমার শুন্য বাড়িতে
তোমারে
নিমন্ত্রণ করলাম।তোমারে লিখলে
সারা রাতেও
শেষ করতে পারব না।অনেক কিছুই কইতে
মন চাই।
কিন্তু চোখের পানি আমার কথা
শোনে না।তাই
একটা কথাই কইতে চাই আর।ভাল
থাকবা...
তোমার প্রহর...
বারান্দার খুঁটিটা ধরে বসে পড়লো
শশী।মাথা ভার
হয়ে আসছে তার।মুখটা দু হাতের তালুর
ভেতএ
ডুবে গেছে।কি হচ্ছে এসব।এমন টা
চাইনি সে.....
টিপটিপ করে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ধীরে
ধীরে
প্রচন্ড জলধারা নামতে শুরু করছে আকাশ
থেকে।
গ্রাম থেকে বের হওয়ার পথটা শেষ
হয়েছে
নাদীর ঘাটে।এই ভোরে কোন মাঝি
এখনো
আসেনি।মাঝে মধ্যে দু একজন থাকলেও
আজ
প্রতিকুল আবহাওয়ায় নেই কেউ।বিশাল
বটবৃক্ষের
নিচে বসে রইলো প্রহর।বৃষ্টির পানি
ধুয়ে নিয়ে
যাচ্ছে চোখ থেকে নামা ছোট্ট ঝরনা
ধারা।
বাতাসের প্রকোপ আরো বাড়তে
থাকলো।এ
যেন চলবে, আর চলতে থাকবে।দুপুর
প্রায়....
কমে এসেছে বাতাসের গতি।দুএকজন
এবার
চোখে পড়ছে।ঘাটের দিকে এগিয়ে
যাচ্ছে মতি
কাকা।
- কাকা ওইপারে যাবা?
- হ যাব।তয় দেরি কর আর দু একজন হইলে
নিয়ে
যাই।
- এই ঝড় বাদলে কারে নিবা আর!
- একটু দেহি কেউ আসে কি না! তোর
তো ঠান্ডা
লাগবে। জামা কাপড় ভিজা দেহি...
- কিছু হইব না।তুমি নৌকা ঠিক কর। যে
বাতাস হইলো
জঞ্জালে দেখ ভইরা গেছে...
মতি কাকা নৌকার দিকে পা
বাড়িয়ে চললো।মতি কাকার
পিছু নেয়ার জন্য উঠে দাড়িয়েছে
প্রহর।পেছনে
পদশব্দে ঘুরে তাকালো ছেলেটা।
মূর্তির মত
কতক্ষন তাকিয়ে থাকলো সে।
- কই যাচ্ছো?
- তুমি এদিকে কই যাবা?
- আমি আগে জানবার চাইছি প্রহর কই
যাও?
গলার আওয়াজ প্রথমের চেয়ে কিছুটা
বেড়ে
গেছে শশীর।
- সঠিক উত্তর জানা নেই।তবে
যেখানেই যাব ভাল
থাকব।
- কেমনে কইতেছ ভাল থাকবা?
- গ্রামের মানুষগুলার কষ্ট দেখতে হইব
না তাই...
- গ্রামের মানুষগুলার তখন আরো বেশি
কষ্ট হইব
তুমি গেলে।
- এক সময় আবার ভুলে যাবা।তখন ঠিক
হয়ে যাবে...
- কোথাও যাবা না তুমি....
> এ প্রহর নৌকা ছাড়ব,আইসা পড়...
প্রহর কিছু বলার আগে শশী বলে উঠলো...
- ও যাবে না কাকা তুমি যাও...
- না কাকা থাম আইতেছি আমি....
তখনি হাত আকড়ে ধরলো শশী।
- একবার হারায়ছি তোমারে।আর
হারাইতে চাই না
প্রহর।বড্ড ভালবাসি যে তোমারে।
মুহুর্তেই বিগলিত হয়ে গেল প্রহর।ওই
চোখের
পানি দেখার মত সহ্য বা ক্ষমতা
কোনটাই তার নেই।
ফিরে পাওয়ার আনন্দ ভাগাভাগি
করে নিয়েছে দুজন।
প্রহরের দু বাহুর মাঝে নিজেকে শপে
দিল
শশী। কিছুক্ষন পরেই সাড়া দিল প্রহর।
শশীর
নিমন্ত্রণ গ্রহন করে জড়িয়ে নিল
তাকে......
ফিরে চলল আবার গ্রামের পথে।
টিপটিপ বৃষ্টিতে দুজন দুজনের হাত ধরে হেটে চলেছে
নতুন জীবনের পথে।
এই,এই...প্লীজ উঠোনা লক্ষিটি...এই উঠো

এতক্ষণ তুর্য দেখছিল ওর বস ওর দিকে এতগুলা ফাইল ছুঁড়ে মেরেছেন। কিন্তু তার পর পরই বস হঠাৎ মেয়েদের আওয়াজে কথা বলছেন দেখে পেট ফেটে হাসি এল তুর্যের...তার উপর আবার কি অদ্ভুদ সম্ভাষণ...
''তুর্য ,এই তুর্য...১০ সেকেন্ডে না উঠলে কিন্তু গায়ে পানি ঢেলে দিব আমি।'' চোখ মিটমিট করলো তুর্য। সামনে একটা হাসি হাসি মুখ দেখা যাচ্ছে। প্রথমে বুঝতে পারলনা কোথায় আছে...ভালো মতো তাকাতেই বুঝতে পারল সামনের হাসি হাসি মুখ টা কার। তারমানে স্বপ্ন দেখছিল? যাক বাবা বেচে গেলাম ভেবে আবার চোখ বুজে ফেলল তুর্য। আবার ওর কাঁধ ঝাঁকাল নিঝুম 'প্লীজ,আমি এখন ঘুমাব...কালকে অফিস আছে''তুর্য মিনমিন করে বলতে চেষ্টা করলো ''আধ ঘণ্টার জন্য ঘুম ভাংলে কিচ্ছু হয়না...দেখি এখন উঠ...নাহলে কিন্তু আমি পানি আনতে গেলাম'' এবার বিনা বাক্যব্যয়ে তুর্য উঠে বসলো। নিঝুমের পক্ষে সব সম্ভব। আরেকবার রাত দুপুরে এরকম না ওঠায় নিঝুম ওর গায়ে পানি ঢেলে দিয়েছিলো। ব্যাপারটা মনে করেই ঠাণ্ডায় ওর গা কেপে উঠল। ''মুখটা একটু ধুয়ে আসো...নাহয় আবার ঘুমায় যাবা।'' বাধ্য ছেলের মতো তুর্য বাথরুমে গেলো। বের হয়ে দেখে যে টেবিলের উপর একটা ট্রেতে দুটো মগ রাখা।এরপর তাকাল দেয়াল ঘড়ির দিকে। রাত দুইটা বাজে।দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে এল আপনা আপনি। রাত দুপুরে কেন যে নিঝুম এমন পাগলামি করে! বারান্দাতে টুকটাক আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। আজকে কি জোছনা নাকি? নিঝুমের আওয়াজ শোনা গেলো
''তুমি বের হয়েছ? একটু কষ্ট করে ট্রেটা নিয়ে এসোনা প্লীজ...''
''আনছি''
বারান্দায় ঢুকে দেখল এক কোনায় মাদুর বিছানো। তার উপর নিঝুম বসে আছে। চাদের আলো নিঝুমের মুখের উপর এসে পড়ছে। এতো স্নিগ্ধ দৃশ্য দেখে কারো মনে কি আর রাগ থাকতে পারে? এম্নিতেই তুর্য নিঝুমের উপর বেশিক্ষণ রাগ করে থাকতে পারেনা। এত মায়া মেয়েটার মাঝে! ও নিঝুমের পাশে গিয়ে বসলো।
''খুব রাগ করেছ আমার উপর?'' হাসি হাসি মুখে জানতে চাইল নিঝুম
''করেছিলাম,কিন্তু এখন আর রাগ নেই''
''হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলো আমার। তখন বাইরে দেখি কি সুন্দর আকাশ। একা একা দেখতে ভালো লাগবেনা। তাই তোমাকে ডাকলাম '''
হাসল তুর্য ''ভালো করেছ''
হাত বাড়িয়ে কফির মগ টা নিঝুমের হাতে দিল। ওর আসলেই ভালো লাগছে পরিবেশটা। কেমন যেন অন্য জগতের বাসিন্দা মনে হচ্ছে নিজেদের। নিঝুম শক্ত করে তুর্যের হাত ধরে রেখেছে। যেন ছেড়ে দিলে আর তুর্যকে খুজে পাবেনা। আহ! তুর্যের মনে হচ্ছে এই সময়টাকে যদি এখানে আটকে রাখা যেত!! অফিসে বসে ফাইল চেক করছিল তুর্য। লাঞ্চ টাইম হয়ে এসেছে। এই ফাইলটা শেষ করেই খেতে যাবে। এমন সময় মেসেজ এল। নিঝুমের লেখা। দেখেই তুর্যের ঠোঁটের কোনে হাসি ফুতে উঠল। মেসেজে লিখা
''একা ঘরে বসে আমি ভাবছি শুধু তোমায় তুমি আমার ঘরের বাতি আঁধারও তাই পালায়''
সাথে সাথে আরেকটা মেসেজ ''জলদি খেয়ে নাও'' লেখা।
প্রায় নিঝুম এই কাজ করে। ছোট ছোট ছড়া লিখে পাঠায়। রাগ করলেও ছড়াই লিখে। অনেক যত্ন করে তুর্য ওর মোবাইলে মেসেজ গুলো রেখে দিয়েছে। তুর্য রিপ্লাই দিল
''তোমাকে অনেক ভালবাসি''
এরপর আরেকটা দিল ''খেতে যাচ্ছি,তুমিও খেয়ে নাও''
এসব ছেলেমানুষি করার কথা তুর্য আগে কখনও ভাবতেও পারেনি। কিন্তু এখন এই কাজগুলো করে ও অনেক আনন্দ পায়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল নিঝুম কখনও একটা গিফট পেয়ে এত খুশী হয়না যতটা না একটা মেসেজ বা একটা গোলাপ পেয়ে হয়। নিঝুমের মতো একটা মেয়ে তার মতো ছেলের ভাগ্যে কিভাবে জুটল এটা ভাবতেই তুর্যের অবাক লাগে। যেদিন নিঝুম কে প্রথম দেখতে গিয়েছিল সেদিনের কথা মনে পড়লে এত ভালো লাগে ওর! একান্তে কথা বলার জন্য যখন ওদের কে সুযোগ দেয়া হয় তখন নিঝুমের প্রথম প্রশ্ন ছিল
''আপনি কি চোখে কম দেখেন?'' তুর্য অবাক হয়ে বলেছিল ''
কেন? আমার চোখ তো ঠিক আছে।''
''ঠিক থাকলে আমাকে কেন পছন্দ করলেন?''
''এটা কোন ধরনের প্রশ্ন?'
''আমি তো দেখতে ভালো না। বেশির ভাগ ছেলেই আমার ছবি দেখেই না করে দেয়''
''আমার তো মনে হয় ওই ছেলেগুলোরই চোখ খারাপ''
ফিক করে হেসে দিলো নিঝুম। হাসলে ওর গালে টোল পড়ে। এই হাসি দেখেই নিঝুমের প্রেমে পড়ে গেলো তুর্য।
''প্রহর শেষে আলোয় রাঙ্গা সেদিন চৈত্র মাস তোমার টোলে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ''
বাসায় এসে সবাইকে জানিয়ে দিল তুর্য,এই মেয়েকেই বিয়ে করবে সে। চারটা বাজে। এখনি তুর্য অফিস থেকে বের হবে। নিঝুম বারবার কল দিচ্ছে। তাড়াহুড়ো করে বেরোতে গিয়ে অফিসের দরজায় একটা বাড়িও খেল তুর্য। নিচে নেমে গাড়ির স্টার্ট করতে যাবে তখনি আবার কল আসলো। নিঝুম।
''হ্যাঁ আমি আসছি,১০ মিনিট ওয়েট করো।''
''গাড়ি থেকে নেমে বাইরে এসো।''
''কেন?''
''আমি বাইরে রিকশা নিয়ে এসেছি,আজকে রিকশায় ঘুরবো''
''এখন?''
''জী এখন''
তুর্য নেমে আসলো। বাইরে সত্যি নিঝুম রিকশাতে বসে আছে। মুখে সেই চির চেনা টোল পড়া হাসি। রিকশাতে উঠে বসলো তুর্য। ওর কি রাগ করা উচিত বুঝতে পারছেনা। এই মুহূর্তে কি নিঝুম এসব না করলে হয়না? নিঝুম মনে হয় তুর্যের চেহারা দেখে আন্দাজ করতে পেরেছে।
''খুব জ্বালাই তোমাকে,না?''
কিছু বলল না তুর্য। ও ঠিক করলো আজ নিঝুমের কোনও কথার জবাব দিবেনা।
''এই শোন,রাগ করেছো ভালো কথা। কপাল কুঁচকাও কেন? মনে হচ্ছে ৬০ বছরের বুড়ো লোকের পাশে বসে আছি।আমি যতদূর জানি তোমার এত বয়স হয়নাই। নাকি বিয়ের সময়ে মিথ্যা বলেছিলে?''
তুর্য মুখ শক্ত করে অন্য দিকে আছে, এই মুহূর্তে ওর একটাই চিন্তা কিভাবে ওর পাশে বসা ফাজিল মেয়েটার কথা না শোনা যায়। কারন অলরেডি ওর হাসি পাচ্ছে। আচ্ছা মুশকিল হল দেখি।
''দেখি তো,তোমার দাঁত দেখি... আসলই তো মনে হয়...এই তোমার চুল গুলা কি নকল?'' বলে তুর্যের চুল ধরে হাল্কা টান দিল নিঝুম। তুর্য কটমট করে তাকাতেই বলল
''নাহ, একদম আসল দেখি। আমার তো মনে হচ্ছিল তুমি কিছু করেছো। ওই যে একটা চুলের বিজ্ঞ্যাপন আছেনা? ''টাক সমস্যার তাক লাগানো সমাধান'' ওইটার মতো''
তুর্য আর পারলনা... হোহো করে হেসে উঠল। নিঝুমের সাথে রাগ করে থাকা একদমই অসম্ভব।
''তুমি আসলেই একটা চীজ'' নিঝুম ও তুর্যের সাথে সাথে হাসছে। এত সুন্দর হাসি মেয়েটার! বিয়ের পর এত দিন হয়ে গেলো তারপর ও তুর্য নিঝুমের হাসি যতবার শুনে মনে হয় প্রথমবারের মতো শুনছে। এটা কি শুধু ওর সাথেই হয়?
''কি দেখছ এভাবে?''
''তোমার হাসি''
নিঝুম একটু লজ্জা পেয়ে যায়।
''আমি চাই আমার মেয়ে তোমার মতই হাসবে,টোল পড়া হাসি''
''ছেলেও তো হতে পারে''
''তা পারে। কিন্তু আমি চাই আমার লাইফে আরেকটা ছোট্ট নিঝুম আসুক''
নিঝুম কিছু না বলে তুর্যের হাত ধরল। ওর এই কাজটার মানে তুর্য এখন বুঝে। খুব আবেগপ্রবন হয়ে গেলে নিঝুম কথা বলতে পারে না।শুধু তুর্যের হাত ধরে রাখে। এই একটা সময়ে ''নিঝুম'' নামের সাথে নিঝুমের সাথে মিল পাওয়া যায়। তুর্য বুঝতে পারে নিঝুম ওকে প্রচণ্ড ভালবাসে। ঠিক যেমন ও নিঝুম কে। ''একটু সমস্যা হয়েছে,আপনি কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন, ডাক্তার আসছেন।'' এ কথা বলেই নার্স দ্রুত চলে গেলো। তুর্য বুঝতে পারলনা প্রথমে। কি ধরনের প্রবলেম? নিঝুমের ডেলিভারি তে কোনও জটিলতা আসার কথা না। ওরা ডেইলি চেক আপ করেছে। তখন তো বাচ্চার কন্ডিশন ভালই ছিল। অস্থিরভাবে পায়চারি করছে তুর্য। অনেক বেশি টেনশন হচ্ছে। ওরা দুজন ঠিক আছে তো? দু রাকআত নফল নামাজ পড়ে আসবে কি? খুব কান্না পাচ্ছে তুর্যর। কেন জানে না।
''এই তুর্য,চেহারা এমন করে রেখেছিস কেন?'' শাওন পাশে এসে দাঁড়াল। তুর্যের খুব কাছের বন্ধু শাওন।
''দোস্ত,নিঝুমের কিছু হবে নাতো? ওর কিছু হলে আমি বাচবোনা''
''আজব তো,তোকে একথা কে বলেছে? ভাবি ঠিক হয়ে যাবে। চিন্তা করিস না...আরে বাবা কাঁদছিস কেন মেয়েদের মতো?''
তুর্য কোনও কথা বলল না। ওর শুধু ইচ্ছে হচ্ছে নিঝুমের পাশে ওর হাত ধরে বসে থাকতে। নিঝুম কে বলতে যে তুর্য ওকে কতটা ভালবাসে।
''আল্লাহ পাক,আমার নিঝুমকে ঠিক করে দাও। আমি আর কিছু চাইনা। শুধু নিঝুমের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়''
মনে মনে তুর্য দোআ পরেই যাচ্ছে। ডাক্তার কে বের হতে দেখে তুর্য জলদি হেঁটে গেলো সামনে। ভয়ে আর দুশ্চিন্তায় তুর্য কিছু বলতে পারলনা। চেহারা দেখে বোধহয় ডাক্তার বুঝে নিলেন তুর্যের অস্থিরতা...তুর্যের হাত ধরে বললেন ''dont worry youngman,তোমার ওয়াইফ একদম ঠিক আছে। একটু দুর্বলতা ছিল প্রথমে। but she pulled up...আর তোমার পুত্র সন্তান হয়েছে। he is in perfect and healthy condition....congratulations'' তুর্য কোনও কথা বলল না। ওর চোখ দিয়ে অবিরাম অশ্রু ঝরছে। তবে কিছুক্ষণ আগে যা ছিল অনিশ্চয়তার,এখন তা হল আনন্দের। তোয়ালের মধ্যে পেঁচিয়ে একটা ছোট পুতুল কে তুর্যের কোলে দেয়া হয়েছে। এত নরম শরীর যে তুর্যের ভয় লাগছে কোলে নিতে। সে অনেক সাবধানে কোলে নিয়ে ছেলের মুখের দিকে তাকাল। আর অভিভূত হয়ে গেলো।এটা ওর ছেলে! বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। ওর নিজের অংশ!!! ও একবার ছেলের দিকে আর একবার নিঝুমের দিকে তাকাচ্ছে। নিঝুম বেডে শুয়ে আছে। চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ। ওর এখন বিস্রাম দরকার। কিন্তু বাবা আর ছেলের প্রথম দেখা হওয়ার মুহূর্তটা যাতে মিস না করে তাই সে অনেক কষ্টে জেগে আছে।
''কি? নিজেকে বাবা বাবা লাগছে?''
তুর্য লাজুক হাসি দিল।''ও দেখতে একদম তোমার মতো হয়েছে।''
''উঁহু,তোমার মতো''
''আমি ওকে কি ডাকব জানো? সূর্য'...তুর্য পুত্র সূর্য''
তুর্যের মনে হয় নামটা বেশ পছন্দ হল। বেশ কয়েকবার আপন মনে সূর্য বলল সে। এরপর এক হাতে সূর্য কে রেখে খুব সাবধানে অন্য হাত নিঝুমের মাথায় রাখল।
''এখন ঘুমাওতো সূর্যের আম্মু,আমি পাশেই আছি''
''জানি'' মিষ্টি হাসি দিল নিঝুম। এত ধকলের পরও নিঝুমের হাসি অমলিন রয়ে গেছে। তুর্যের হাত টা নিজের হাতে নিল সে। শক্ত করে ধরে নিজের চোখ বন্ধ করে ফেলল। পরম নির্ভরতার সাথে ঘুমের অতল গহ্বরে হারিয়ে যেতে যেতে নিঝুম অনুভব করলো যে ও একা নয়। দুজন মানুষঅধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ওর জন্য। প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বিকেলে তুর্যকে জলদি বাসায় ফিরতে হয়। নিঝুমের কড়া আদেশ। এর হেরফের হতে পারবেনা।এদিন ওদের রিকশা ভ্রমনের দিন।তুর্য অনেক নিষ্ঠার সাথে নিজের দায়িত্ত পালন করে। রিকশায় ছেলের প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে প্রায় ওর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। নিঝুম অনেক মজা পায় এসব দেখে আর সূর্যকে বলে'' দেখলে আব্বু,তোমার বাবা কিচ্ছু জানে না'' সূর্য তখন প্রবল বেগে মাথা নাড়ে। ওর বাবা সব জানে। আর তুর্য বলে ''ছেলে আমার সবই জানে, তাইতো শুধু বাবার কথাই মানে'' মা আর ছেলের হাসি তখন দেখে কে। সূর্য হাসলে বাঁ গালে একটা টোল পড়ে,ঠিক নিঝুমের মতো।
Saturday, April 27, 2019
Monday, February 25, 2019
বিমান ছিনতাইকারী পলাশের স্ত্রী নায়িকা সিমলা
চট্টগ্রামে বিমান ছিনতাই চেষ্টাকালে নিহত যুবকের আসল নাম মাহমুদ পলাশ (২৪)। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামে। পলাশ চিত্রনায়িকা সিমলার স্বামী বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।Tuesday, February 12, 2019
Friday, January 18, 2019

সরাসরি বিপিএল বাংলা দারা ভাষশে সুনতে কিক্ল করুন
Monday, December 31, 2018
Sunday, December 30, 2018
Friday, August 31, 2018
এ্ই কেমন ভালোবাসা, যা শুধু কষ্ট
আসুন সবাই ৫মিনিট সময় নিয়ে গল্পটি পড়ি,,,,,,,, ↕↕↕↕↕↕↕ আজব গল্প,একটি ছেলে আর,,একটি মেয়ের।চলেন শুনি--,,, ছেলেটি রমজান মাসে ইফতার সেরে পড়তে বসে, এমন সময় একটি মেয়ে তাকে ফোন করে।তার পর মেযেটি,, বলে কে, ছেলেটি বলে আপনি কে,মেয়েটি আবার বলে, আপনি কে,ছেলেটি রাগ হয়ে বলে,,আমি এক মাদার চুদ।আপনি কে, মেয়েটি ফোন কেটে দেয়।তারপর মেয়েটি আবার ফোন করে ,ছেলেটি বলে নাম্বার কই পাইছেন ।মেয়েটি বলে পিকছারে, ছেলেটি বলে ঠিক আছে । ছেলেটি বলে ফোন কেন ও করছেন, মেয়েটি বলে এমনি, এরপর ফোন কেটে দিল।এরপর মেয়েটি মেসেজ করল,ছেলেটি উওর দিল। এভাবে কিছু দিন যাচ্ছে,তারপর মোবাইলে কথা বলা শুরু । এর মধ্যে চলে আসল ঈদ্, এরপর মেয়েটি ছেলেটির সাথে দেখা করল।তারপর তাদের মাঝে প্রেম শুরু হয,একজন অপরজন কে ভালোবাসে ।মেয়েটি ছেলেটি কে কিছু র্শত দেয়।ছেলেটি মেয়েটির সকল র্শত মেনে নেয় । এবং মেয়েটি কে খুব ভালোবাসে,ছেলেটি গারমেন্স এই চাকুরী করত, এবং লেখা পড়া করত। মেয়েটি কে খুব ভালোবাসত, মেয়েটির র্শত পুূরণ করতে গিয়ে, ছেলেটি অনেক বিপদে পড়ে, তার কাছে টাকা থাকত না, ধার করে ছেলেটি মেয়েটির ইচ্ছা পূরণ করত, একদিন মেয়েটির ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে ছেলেটি পুলিশের তাড়া খায় । ছেলেটি মেয়েটি কে পাগলের মত ভালোবাসত। আর মেয়েটি ছেলেটির দুর্বলতার সুযোগ নিল । ছেলেটি ছিল,,মেয়েটির জন্যে, এক দরনের পাগল।ছেলেটির জীবনের প্রথম প্রেম ,তাও আবার রং নাম্বারে। এবার শুধু কষ্ট, মেয়েটি যখন যে জায়গা, ছেলেটি কে আসতে বলত,এবং যা খেতে চাইতো তাই খাওয়াত ,টাকা না থাকলে ধার করত। একদিন ছেলেটি অসুস্থ ,,এমন সময় মেয়েটি বলে তার নাকের ও মাথাায় সমস্যা,তারাতাড়ি ৫ হাজার টাকা লাগবে। ছেলেটির কাছে টাকা নাই ,মাস শেষ, তারপর ছেলেটি ৩হাজার টাকা, শুধের উপর নিয়ে মেয়েটি কে দেয়। অতছ ছেলেটি নিজেেই অসুস্থ। তারপর ছেলেটির পরীক্ষা চলে আসে । চাকুরী ছেড়ে পড়া শুনা শুরু করে ।মেয়েটা কে বলে আগের মত বেশি কথা বলতে পারব না সামনে পরীক্ষা ।তাও প্রতিদিন যে টুকু সময় পায় সে কথা বলে।মেয়েটি মোবাইলে প্রায় ব্যস্ত থাকত, ছেলেটি বলত কার সাথে এত কথা বল, মেয়ে বলত আত্তৃীয় স্বজনদের সাথে।ছেলেটির মনের সন্দহে, সে নেটে অ্যাপস দিয়ে মেয়েটির নাম্বার চেক করল। এবং তার সন্দহ সঠিক হলো ,পরে সে মেয়েটি জ্ঞিাগাসা করল মেয়েটা মিথ্যা কথা বলে।ছেলে বলে 01..........84 এই নাম্বার ও 01....402 এবং01.....4002 একজনের নাম্বার । কে এই ছেলে , মেয়ে বলে তুমি মিথ্যা কথা বলে। তারপর ছেলেটি ঐ নাম্বার শুলুতে কল দেয় । এবং ঐ ছেলে কে বলল 019.....54 এই নাম্বারে কথা বললেন ,ফারজানা আপনার কি হয় ছেলেটি অস্বীকার করল এবং এই ছেলেটি বলল আপনার বাড়ি কই্। তারপর মেয়েটি ,ছেলেটি কে ফোন করে এবং খারাপ কথায়, কথা বলে । এবং বলে 01......84 এই নাম্বারে কল দিয়ে বাড়ী কিনবি হুমকি দেস। ছেলেটি বলল আমি এই ধরনের কথা বলিনি তো।এভাবে দুজনে মধ্যে ফাটল ধরল ।অতছ মিথ্যা বলছে ঐ ছেলে , কিন্তু মেয়েটি তাকে ভুল বুঝে। তারপর মেয়েটি ঐ ছেলে কে নিয়ে ভালাে আনন্দ আছে, আর এই পাগল প্রেমিক শুধু মেয়েটা কে ফোন করে ।কিন্তু ঐ মেয়ে তাকে কুকুর ভেবে শুধুু অপমান করে। এমন কোনো রাত নেই যে, এই ছেলে কাদে না,, তার সকালের ঘুম ভাঙ্গে কান্না দিয়ে।এমন কোনো রাত নেই যে ঘুমের ঔষধ খায় না ।তবুও তার ঘুম হয় না<হঠাৎ সে অসুস্থ হয়ে যায়>তার মাথার সমস্যা হয়,,,,, সে ১৫ দিন মেডিকেল থাকে। তারপরও, শুধু তাকে ভাবে,একদিন সে ফারজানার কাছে ফোন করল এবং বলল ,ফারজানা আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। কিন্তু মেয়েটি তাকে কোনো মূল্য দিল না। এরপর ছেলেটির পরীক্ষার জন্য, অনেক টাকা প্রয়োজন ,,সে আবার ফারজানার কাছে ফোন দেয় এবং ২ হাজার টাকা ধার চায়।কিন্তু মেয়ে বলে আমি তোমাকে চিনি না????তারপর ছেলেটি অনেক কষ্ট করে টাকার মিল করল। কিন্তুু সে আর পরীক্ষা দিল না?????? এখন ও শুধু তাকে ভালোবাসে। মেয়েটি জানত ছেলেটি খু্বই অসহায় এই পৃথিবীতে ছেলেটি খুবএকা গল্পটি সবাই শেয়ার করবেন এবং লাইক, কমেন্ট করবেন সবাই কে ধন্যবাদ
Tuesday, August 21, 2018
Friday, July 6, 2018
ভালো লাগা ও ভালোসার মত একটি গান
আকাশ যখন আঁধার ভীষণ, এক ফোঁটা জল চেয়েছে মন, অবহেলায় অপমানে পেয়েছে রিক্ত শুন্যতা/
সমান্তরাল পথের বাকে, তোমার পথের দিশা থাকে, সে দিশা খোঁজে তোমাকে দীপান্বিতা …
গাছের সবুজ পাতার ফাঁকে, তোমার ছোঁয়া মিশে থাকে, সে ছোঁয়া খোঁজে তোমাকে দীপান্বিতা…
তুমি নীলাকাশ আপন করেছো
হঠাৎ কোন কালে কে জানে!
স্বপ্ন সীমানা ছুঁয়ে দিয়েছ
কোন সে জাদুতে কে জানে!
আমি ছিলাম তোমার পাশে, তোমার আকাশ ভালবেসে, সে বিশালে খুঁজেছি একটুকু ঠাই, তাও মেলেনি তা/
হঠাৎ যখন ছুটির খেলা, মেঘে মেঘে অনেক বেলা, তখন সে ক্রান্তিকালে ধুম্রজালে খুঁজছ যে বৃথা/
অশান্ত মন বোঝাই কাকে, হারিয়ে চাইছি তোমাকে, হাতছানি দিয়ে
যে ডাকে সৃতির পাতা…
নদির শেষে আকাশ নীলে, স্বপ্নগুলো মেলে দিলে, তারা বলে সবাই মিলে,
দীপান্বিতা…
শোননা রূপসী, তুমি যে শ্রেয়সী, কি ভীষণ উদাসি,
প্রেয়সী।
জীবনের গলিতে, এ গানের কলিতে, চাইছি বলিতে,
ভালবাসি।
চোখের জলেরই আড়ালে, খেলা শুধুই দেখেছিলে, যন্ত্রণারই আগুন নীলে,
পুড়েছি যে-বোঝনি তা/
অভিমানে চুপটি করে, এসেছি তাই দূরে সরে, বোঝাতে চেয়েও পারিনি তাই বোঝাতে- লুকোনো কথা/
ইটপাথরের এ শহরে, গাড়ি বাড়ির এ বহরে, খুজছে এ মন ভীষণ করে
দীপান্বিতা…
জীবন যখন থমকে দাড়ায়, স্বপ্নগুলো দৃষ্টি ছাড়ায়, তৃষ্ণা বুকের বৃষ্টি হারায়
দীপান্বিতা…
কল্পনারই আকাশ জুড়ে, নানা রঙে লোকের ভিড়ে, দুচোখ বুজেও স্বপ্ননীড়ে
দীপান্বিতা…
তুমি আমার চোখের ভাষা, তুমি আমার সুখের নেশা,তুমি আমার ভালবাসা
দীপান্বিতা……।।







